কলকাতা, ১২ সেপ্টেম্বরঃ জোড়াফুল কার? মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের, না কি ঋতব্রত শিবিরের? উত্তর এখনও ঝুলে। শনিবার দিল্লিতে নির্বাচন কমিশনের দফতরে সেই প্রশ্নেরই শুনানি। আর তার মধ্যেই তৃণমূলের প্রতীক-দ্বন্দ্বকে নিশানা করে কটাক্ষ ছুড়ে দিলেন রাজ্যের পঞ্চায়েত মন্ত্রী দিলীপ ঘোষ।
শনিবার কমিশনে শুনানির জন্য ডাকা হয়েছে তৃণমূলের দুই শিবিরকেই। প্রথমে কমিশনের মুখোমুখি হয় ঋতব্রত শিবির। ‘আসল’ তৃণমূলের তরফে ঋতব্রত বন্দ্যোপাধ্যায়ের সঙ্গে ছিলেন অরূপ রায়, চন্দ্রিমা ভট্টাচার্য, আখরুজ্জামান এবং আইনজীবী আমন ঝাঁ। প্রায় এক ঘণ্টা ২০ মিনিট ধরে চলে বৈঠক।
বৈঠক শেষে ঋতব্রত শিবিরের দাবি, কমিশনের যাবতীয় প্রশ্নের জবাব তাঁরা দিয়েছেন। চাওয়া সমস্ত নথিও জমা দেওয়া হয়েছে। ফলে প্রতীক পাওয়ার বিষয়ে তাঁরা যথেষ্ট আশাবাদী। তাঁদের দাবি, শুনানিতে তাঁরা সন্তুষ্ট।
এই আবহেই সরাসরি মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে নিশানা করেন ঋতব্রত। অন্য দিকে, তাঁর বক্তব্যের পরেই আরও চড়া সুরে আক্রমণ শানান দিলীপ।
তিনি বলেন, “দেখা গেল কেউ প্রতীক পেল না। আমরা চাই যে এই দলটা চিরতরে উঠে যাক। অনেক সর্বনাশ হয়েছে পশ্চিমবাংলার। রাজনীতিটাকে কলুষিত করেছে তৃণমূল কংগ্রেস।”
এর পরেই তাঁর কটাক্ষ, “তৃণমূল কোথায়, সেটাই তো বোঝা যাচ্ছে না। কুণাল ঘোষের কথায় তৃণমূল মানে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। তো তিনি যত দিন আছেন, তাঁকে দেখলে মনে হবে তৃণমূল কংগ্রেস বলে একটা দল ছিল।”
এখন কমিশনের দফতরে মমতা-অনুগামী শিবিরের শুনানি চলছে। দুই পক্ষের বক্তব্য, নথি এবং সাংগঠনিক দাবিদাওয়া খতিয়ে দেখার পর কমিশন কী সিদ্ধান্ত নেয়, নজর সেদিকেই। কারণ সেই সিদ্ধান্তের সঙ্গেই জড়িয়ে রয়েছে ‘জোড়াফুল’ প্রতীকের ভবিষ্যৎ আর একই সঙ্গে তৃণমূলের রাজনৈতিক পরিচয়ের প্রশ্নও।






