আবহাওয়া আইপিএল-2025 টাকা পয়সা পশ্চিমবঙ্গ ভারত ব্যবসা চাকরি রাশিফল স্বাস্থ্য প্রযুক্তি লাইফস্টাইল শেয়ার বাজার মিউচুয়াল ফান্ড আধ্যাত্মিক অন্যান্য

---Advertisement---

বিহারের শুনানিতে উঠল বাংলার হিংসা, দ্রুত শুনানি নাকচ করে দিল সুপ্রিম কোর্ট

Published on: January 13, 2026
---Advertisement---

খবরিয়া ২৪ ডেস্ক, ১৩ জানুয়ারি: পশ্চিমবঙ্গে ভোটার তালিকার বিশেষ নিবিড় সংশোধন বা এসআইআর (SIR) প্রক্রিয়াকে ঘিরে তৈরি হওয়া বিতর্ক ফের পৌঁছাল সুপ্রিম কোর্টে। বিহারের এসআইআর সংক্রান্ত মামলার শুনানির মধ্যেই বাংলায় এসআইআর ঘিরে সাম্প্রতিক হিংসার ঘটনাগুলিও একসঙ্গে শোনার আর্জি জানানো হয়েছিল। তবে এই মুহূর্তে সেই আবেদন গ্রহণ করেনি শীর্ষ আদালত। প্রধান বিচারপতি সূর্যকান্তের নেতৃত্বাধীন বেঞ্চ জানিয়ে দেয়, বাংলার এসআইআর সংক্রান্ত মামলা ইতিমধ্যেই শুনানির পর্যায়ে রয়েছে এবং খুব শিগগিরই তার পরবর্তী শুনানি হবে।

আদালতে এক আইনজীবী দাবি করেন, পশ্চিমবঙ্গে এসআইআর প্রক্রিয়াকে কেন্দ্র করে সম্প্রতি অন্তত ছ’টি হিংসার ঘটনা ঘটেছে। তাঁর বক্তব্য ছিল, বিহারের এসআইআর মামলার সঙ্গে এই হিংসা-সংক্রান্ত বিষয়গুলিও একত্রে শোনা হোক। কিন্তু প্রধান বিচারপতি স্পষ্ট জানান, এই মুহূর্তে আলাদা করে দ্রুত শুনানির প্রয়োজন নেই। তিনি বলেন, প্রবীণ আইনজীবী কপিল সিব্বলের আবেদনের ভিত্তিতে পশ্চিমবঙ্গের এসআইআর সংক্রান্ত মামলা আগেই শোনা হয়েছে এবং নির্বাচন কমিশনকে নোটিসও দেওয়া হয়েছে। আগামী সোমবার সেই মামলার পরবর্তী শুনানি নির্ধারিত থাকায় নতুন করে কোনও নির্দেশ দেওয়ার প্রয়োজন নেই বলেই জানিয়ে দেন আদালত।

উল্লেখ্য, এর আগের দিন সোমবার সুপ্রিম কোর্টে পশ্চিমবঙ্গের এসআইআর প্রক্রিয়া নিয়ে বিস্তারিত শুনানি হয়। প্রধান বিচারপতি সূর্যকান্ত ও বিচারপতি জয়মাল্য বাগচীর বেঞ্চে এই মামলার শুনানি হয়। মামলার আবেদনকারী ছিলেন তৃণমূল কংগ্রেসের রাজ্যসভার সাংসদ ডেরেক ও’ ব্রায়েন ও দোলা সেন। এসআইআর প্রক্রিয়ার বৈধতা এবং বাস্তবে কীভাবে তা কার্যকর করা হচ্ছে, সেই বিষয়েই তাঁদের আপত্তি ছিল। তৃণমূলের পক্ষে আদালতে সওয়াল করেন প্রবীণ আইনজীবী কপিল সিব্বল।

শুনানির সময় কপিল সিব্বল অভিযোগ করেন, নির্বাচন কমিশন এসআইআর সংক্রান্ত গুরুত্বপূর্ণ নির্দেশ নিয়ম মেনে বিজ্ঞপ্তি আকারে প্রকাশ করছে না। তাঁর দাবি, হোয়াটসঅ্যাপের মাধ্যমে বুথ স্তরের আধিকারিকদের নির্দেশ পাঠানো হচ্ছে। পাশাপাশি কমিশনের তৈরি তথাকথিত ‘লজিক্যাল ডিসক্রিপেন্সি’ বা তথ্যগত অসঙ্গতির তালিকা নিয়েও প্রশ্ন তোলেন তিনি। সিব্বলের বক্তব্য, বহু প্রকৃত ভোটারকে অকারণে সন্দেহভাজন হিসেবে চিহ্নিত করা হচ্ছে, শুনানির জন্য ডেকে পাঠানো হচ্ছে, যার ফলে সাধারণ মানুষের মধ্যে আতঙ্ক ও বিভ্রান্তি তৈরি হচ্ছে।

এই মামলায় নির্বাচন কমিশনের তরফে আদালতের কাছে জবাব দেওয়ার জন্য দু’সপ্তাহ সময় চাওয়া হলেও প্রধান বিচারপতির বেঞ্চ এক সপ্তাহ সময় দেয়। আদালত জানিয়ে দিয়েছে, আগামী ১৯ জানুয়ারি এই মামলার পরবর্তী শুনানি হবে।

এদিকে এসআইআর প্রক্রিয়া নিয়ে তৃণমূল কংগ্রেস দীর্ঘদিন ধরেই নির্বাচন কমিশনের বিরুদ্ধে অভিযোগ তুলে আসছে। মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় একাধিকবার এই ইস্যুতে সরব হয়েছেন এবং মুখ্য নির্বাচন কমিশনার জ্ঞানেশ কুমারের কাছে ইতিমধ্যেই পাঁচটি চিঠি পাঠিয়েছেন। সর্বশেষ চিঠিতে তাঁর অভিযোগ, প্রয়োজনীয় নথি জমা দেওয়ার পরেও অনেক ভোটারের নাম তালিকা থেকে বাদ যাচ্ছে এবং শুনানির সময় নথি জমা দিলেও কোনও লিখিত প্রমাণ দেওয়া হচ্ছে না। প্রয়োজনে সাধারণ মানুষের হয়ে আদালতে সওয়াল করতেও তিনি প্রস্তুত বলে জানিয়েছেন মুখ্যমন্ত্রী।

Manirul Hoque

Manirul Hoque is working as Sub Editor. Presently he is attached with Khaboriya24 Online News Portal. Manirul is involved in Copy Editing, Uploading in website.

Join WhatsApp

Join Now

Join Telegram

Join Now

Leave a Comment