মালদা, ২৪ ফেব্রুয়ারিঃ মালদার গৌড়বঙ্গ বিশ্ববিদ্যালয়ে নিরাপত্তা ব্যবস্থা নিয়ে উঠছে প্রশ্ন। উঁচু সীমানা প্রাচীর, লোহার গেট এবং নিরাপত্তারক্ষী মোতায়ন থাকা সত্ত্বেও অভিযোগ, ক্যাম্পাসের একাংশে ১৪৬ মিটার এলাকাজুড়ে সীমানা প্রাচীর না থাকায় বহিরাগতদের অবাধ যাতায়াত চলছে। সন্ধ্যা নামলেই পরিস্থিতি আরও উদ্বেগজনক হয়ে ওঠে বলে দাবি ছাত্রছাত্রীদের।
বিশ্ববিদ্যালয় সূত্রে জানা গিয়েছে, বর্তমানে বেসরকারি ঠিকাদার সংস্থার মাধ্যমে ৫০ জনেরও বেশি নিরাপত্তারক্ষী কর্মরত। তবে জানুয়ারি মাসেই ওই সংস্থার চুক্তির মেয়াদ শেষ হয়েছে। ফেব্রুয়ারির শেষ সপ্তাহ পেরোলেও জানুয়ারির বেতন পাননি নিরাপত্তারক্ষীরা এমন অভিযোগও উঠেছে। ফলে নিরাপত্তা ব্যবস্থায় ঢিলেমি দেখা দিচ্ছে বলে আশঙ্কা শিক্ষক ও পড়ুয়াদের একাংশের।
আরবিক বিভাগের প্রথম সেমেস্টারের ছাত্রী রিম্পা খাতুন বলেন, “উন্মুক্ত অংশ দিয়ে দুপুরবেলাতেও বহিরাগতরা ঢুকে পুকুরে মাছ ধরে। সন্ধ্যায় আলোও থাকে না।” ছাত্র দীপ কুমার ঘোষ ও ছাত্রী বিউটি কুন্ডুও দ্রুত সীমানা প্রাচীর নির্মাণ ও নিরাপত্তা জোরদারের দাবি জানিয়েছেন। বাংলা বিভাগের অধ্যাপক সাধন সাহা বলেন, বিষয়টি গুরুত্ব সহকারে দেখা প্রয়োজন।
বিশ্ববিদ্যালয়ের এক্সিকিউটিভ কাউন্সিল সদস্য ও ওয়েবকুপা নেতা সনাতন দাসের বক্তব্য, “ঘটনাটি উদ্বেগজনক। কর্তৃপক্ষ নিশ্চয়ই দ্রুত ব্যবস্থা নেবে।” উপাচার্য আশিস ভট্টাচার্য জানিয়েছেন, নিরাপত্তারক্ষী নিয়োগে নতুন দরপত্র প্রক্রিয়া শুরু হয়েছে। সীমানা প্রাচীর নির্মাণের বিষয়টি পূর্ত দফতরকে জানানো হয়েছে এবং পরিকল্পনা চূড়ান্ত হলে ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের কাছে পাঠানো হবে। নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে দ্রুত পদক্ষেপের অপেক্ষায় বিশ্ববিদ্যালয় পরিবার।





