জলপাইগুড়ি, ৪ ফেব্রুয়ারিঃ ভোরে কুয়াশার আড়ালে বালি মাফিয়াদের দাপাদাপির অভিযোগ উঠেছে ধূপগুড়ি ব্লকের শালবাড়ি এলাকায়। অভিযোগ, ভোর রাত থেকেই গিলান্ডি নদীর বুকে একের পর এক ট্রাক্টর ও পিকআপ ভ্যানের শব্দে ঘুম ভাঙছে নদীপাড়ের বাসিন্দাদের।
পুলিশ প্রশাসনের নাকের ডগাতেই অবাধে চলছে গিলান্ডি নদী থেকে বালি উত্তোলন ও পাচার হচ্ছে বলেও অভিযোগ তুলেছেন কিছু বাসিন্দা। ভোর তিনটা বাজতেই পুরান শালবাড়ি গিলান্ডি নদীতে নেমে পড়ে একের পর এক ট্রাক্টর-পিকআপ ভ্যান। ঘন কুয়াশা ও কনকনে ঠান্ডায় যখন নদী সংলগ্ন এলাকার মানুষ শীতঘুমে আচ্ছন্ন, ঠিক তখনই নদীর বুকে শুরু হয় বালি মাফিয়াদের দাপাদাপি।
অভিযোগ, তার পরেও ধূপগুড়ি মহাকুমার শালবাড়ি গিলান্ডি ও ডুডুয়া নদী থেকে অবৈধভাবে বালি উত্তোলন ও পাচার বন্ধ হয়নি।এই অবৈধ ও অবৈজ্ঞানিক বালি উত্তোলনের ফলে নদীর স্বাভাবিক গতিপথ পরিবর্তনের আশঙ্কা বাড়ছে, পাশাপাশি নদী ভাঙনের ঘটনাও ঘটছে বলে অভিযোগ স্থানীয়দের।
পুলিশ প্রশাসনের দাবি, অবৈধ বালি উত্তোলন বা পাচারের বিষয়টি তারা জানেন না। সংবাদ মাধ্যমের ক্যামেরা দেখতেই বালি বোঝাই ট্রলি নিয়ে দ্রুত সরে পড়ে পাচারকারীরা। এই ঘটনায় প্রশ্নের মুখে পড়েছে বিএলআরও দপ্তর, সেচ দপ্তর এবং পুলিশ প্রশাসনের ভূমিকা। এমনটাই মনে করছেন অনেকে।





