আবহাওয়া আইপিএল-2025 টাকা পয়সা পশ্চিমবঙ্গ ভারত ব্যবসা চাকরি রাশিফল স্বাস্থ্য প্রযুক্তি লাইফস্টাইল শেয়ার বাজার মিউচুয়াল ফান্ড আধ্যাত্মিক অন্যান্য

---Advertisement---

 ‘বাড়ির চাকর-বাকরকেও প্রার্থী করা যায়’, ‘বিজেপিতে রীতি-নীতি মেনেই প্রার্থী’, কালীঘাট তৃণমূলকে কটাক্ষ দিলীপের

Published on: September 14, 2026
---Advertisement---

কলকাতা, ১৪ সেপ্টেম্বরঃ উপনির্বাচনের ফল কী হতে পারে, তা নাকি আগেই বুঝে গিয়েছে কালীঘাট তৃণমূল! তাই ভোটের লড়াই শুরুর আগেই প্রার্থী ঘোষণা করে প্রচারের আলোয় থাকার চেষ্টা সোমবার এমনই কটাক্ষ ছুড়ে দিলেন রাজ্যের মন্ত্রী তথা বিজেপি নেতা দিলীপ ঘোষ। তাঁর নিশানায় নন্দীগ্রাম ও রেজিনগরের উপনির্বাচন এবং তৃণমূলের দুই শিবিরের প্রতীক-যুদ্ধ।

সোমবার সাংবাদিকদের মুখোমুখি হয়ে দিলীপ বলেন, “রাজ্যের দুই উপনির্বাচনে জয়ের সম্ভাবনা নেই। তাই আগে প্রার্থী ঘোষণা করে পাবলিসিটি করার চেষ্টা করেছে কালীঘাট তৃণমূল।” তাঁর আরও কটাক্ষ, “তৃণমূলে তো বাড়ির চাকর-বাকরকে প্রার্থী করে দিলেও চলবে। বিজেপিতে রীতি-নীতি মেনে যথাসময়ে প্রার্থী ঘোষণা করা হবে।”

উপনির্বাচনের প্রার্থী ঘোষণাকে ঘিরে তৃণমূলের অন্দরের দ্বন্দ্বও এ দিন তাঁর বক্তব্যে উঠে আসে। প্রতীক নিয়ে কালীঘাট এবং ঋতপন্থী শিবিরের টানাপড়েন প্রসঙ্গে দিলীপের বক্তব্য, যে দলকে মানুষ প্রত্যাখ্যান করেছে, তাদের আবার ‘আসল’ না ‘নকল’ এই প্রশ্নে লড়াই অর্থহীন। তাঁর দাবি, ২০২৬-এর বিধানসভা নির্বাচনে প্রতীক নিয়ে কোনও দ্বন্দ্ব ছিল না। তার পরেও তৃণমূল জিততে পারেনি। ফলে প্রতীকের চেয়ে দলের রাজনৈতিক সংস্কৃতিই মানুষের কাছে বেশি গুরুত্বপূর্ণ।

ইতিমধ্যেই একাধিক দল উপনির্বাচনের প্রার্থীর নাম ঘোষণা করেছে। বিজেপি এখনও সেই পথে হাঁটেনি। কেন? দিলীপের ব্যাখ্যা, বিজেপির প্রার্থী বাছাইয়ের নির্দিষ্ট সাংগঠনিক প্রক্রিয়া রয়েছে। পার্লামেন্টারি বোর্ডের বৈঠকের পরেই প্রার্থী চূড়ান্ত করা হয়। শুধু বাংলায় নয়, দেশের একাধিক জায়গায় উপনির্বাচন হচ্ছে। তাই “সঠিক সময়ে” দল প্রার্থী ঘোষণা করবে।

এর মধ্যেই রবিবার নন্দীগ্রাম ও রেজিনগরে প্রার্থী ঘোষণা করেছে কালীঘাট তৃণমূল। নন্দীগ্রামে সঞ্চিতা প্রধান দে এবং রেজিনগরে রবিউল আলম চৌধুরীকে প্রার্থী করা হয়েছে। নন্দীগ্রামে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের প্রার্থী হওয়া নিয়ে দীর্ঘদিন জল্পনা চললেও শেষ পর্যন্ত সেই সম্ভাবনা বাস্তবায়িত হয়নি। ঋতপন্থী শিবির আগেই জানিয়েছিল, মমতা প্রার্থী হলে তারা নন্দীগ্রামে প্রার্থী দেবে না।

রাজনৈতিক তরজার মাঝেই অবশ্য গণেশ চতুর্থীর প্রসঙ্গও তুলেছেন দিলীপ। তাঁর কথায়, “গণেশ এলে শান্তি, সমৃদ্ধি আসবে।” তাঁর আক্ষেপ, দেশের অন্য রাজ্য এগিয়ে গেলেও বাংলায় এখনও আমিষ-নিরামিষ নিয়ে বিতর্ক চলছে। তাঁর আশা, গণেশই সবাইকে এই বিভাজন থেকে উদ্ধার করবেন।

Manirul Hoque

Manirul Hoque is working as Sub Editor. Presently he is attached with Khaboriya24 Online News Portal. Manirul is involved in Copy Editing, Uploading in website.

Join WhatsApp

Join Now

Join Telegram

Join Now

Leave a Comment