কলকাতা, ১৫ মার্চঃ বিধানসভা নির্বাচনের আগে রাজ্য সরকারি কর্মচারী ও পেনশনভোগীদের জন্য বড় ঘোষণা করলেন পশ্চিমবঙ্গের মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। রবিবার দুপুরে সমাজমাধ্যমে তিনি জানান, রাজ্য সরকারি কর্মচারীদের বকেয়া মহার্ঘ ভাতা (ডিএ) দেওয়া হবে। ২০০৯ সাল থেকে বকেয়া থাকা ডিএ ‘রোপা ২০০৯’ অনুযায়ী মেটানো হবে বলেও জানান তিনি।
এক্স হ্যান্ডলে মুখ্যমন্ত্রী লেখেন, “আমি অত্যন্ত আনন্দের সঙ্গে ঘোষণা করছি, আমাদের ‘মা-মাটি-মানুষ’ সরকার তার সকল কর্মচারী ও পেনশনভোগী, শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের শিক্ষক ও অশিক্ষক কর্মী, পঞ্চায়েত, পুরসভা ও অনুদানপ্রাপ্ত প্রতিষ্ঠানের কর্মচারীদের প্রতি আমাদের প্রতিশ্রুতি পূরণ করছে। ২০২৬ সালের মার্চ মাস থেকে সবাই তাঁদের বকেয়া মহার্ঘ ভাতা পাবেন। বিস্তারিত জানিয়ে অর্থ দপ্তর শীঘ্রই বিজ্ঞপ্তি জারি করবে।”
উল্লেখ্য, রাজ্য সরকারি কর্মীদের বকেয়া ডিএ নিয়ে দীর্ঘদিন ধরে মামলা চলছিল সুপ্রিম কোর্টে। গত ৫ ফেব্রুয়ারি বিচারপতি সঞ্জয় করোল এবং মনোজ মিশ্র-র বেঞ্চ জানায়, ডিএ কর্মচারীদের আইনি অধিকার এবং তা মেটাতেই হবে। আদালত নির্দেশ দেয়, বকেয়া ডিএ-র অন্তত ২৫ শতাংশ মে মাসের মধ্যে দু’দফায় মিটিয়ে দিতে হবে। প্রথম কিস্তি দিতে হবে ৩১ মার্চের মধ্যে।
এদিকে রাজ্য সরকারের সময়সীমা বাড়ানোর আর্জি ঘিরে অসন্তোষ প্রকাশ করেছিলেন সরকারি কর্মীদের একাংশ। প্রতিবাদে আন্দোলনও হয়েছিল। তবে রবিবার মুখ্যমন্ত্রীর এই ঘোষণায় কর্মচারীদের মধ্যে স্বস্তির পরিবেশ তৈরি হয়েছে।
কলকাতা, ১৫ মার্চঃ বিধানসভা নির্বাচনের আগে রাজ্য সরকারি কর্মচারী ও পেনশনভোগীদের জন্য বড় ঘোষণা করলেন পশ্চিমবঙ্গের মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। রবিবার দুপুরে সমাজমাধ্যমে তিনি জানান, রাজ্য সরকারি কর্মচারীদের বকেয়া মহার্ঘ ভাতা (ডিএ) দেওয়া হবে। ২০০৯ সাল থেকে বকেয়া থাকা ডিএ ‘রোপা ২০০৯’ অনুযায়ী মেটানো হবে বলেও জানান তিনি.
এক্স হ্যান্ডলে মুখ্যমন্ত্রী লেখেন, “আমি অত্যন্ত আনন্দের সঙ্গে ঘোষণা করছি, আমাদের ‘মা-মাটি-মানুষ’ সরকার তার সকল কর্মচারী ও পেনশনভোগী, শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের শিক্ষক ও অশিক্ষক কর্মী, পঞ্চায়েত, পুরসভা ও অনুদানপ্রাপ্ত প্রতিষ্ঠানের কর্মচারীদের প্রতি আমাদের প্রতিশ্রুতি পূরণ করছে। ২০২৬ সালের মার্চ মাস থেকে সবাই তাঁদের বকেয়া মহার্ঘ ভাতা পাবেন। বিস্তারিত জানিয়ে অর্থ দপ্তর শীঘ্রই বিজ্ঞপ্তি জারি করবে।”
উল্লেখ্য, রাজ্য সরকারি কর্মীদের বকেয়া ডিএ নিয়ে দীর্ঘদিন ধরে মামলা চলছিল সুপ্রিম কোর্টে। গত ৫ ফেব্রুয়ারি বিচারপতি সঞ্জয় করোল এবং মনোজ মিশ্র-র বেঞ্চ জানায়, ডিএ কর্মচারীদের আইনি অধিকার এবং তা মেটাতেই হবে। আদালত নির্দেশ দেয়, বকেয়া ডিএ-র অন্তত ২৫ শতাংশ মে মাসের মধ্যে দু’দফায় মিটিয়ে দিতে হবে। প্রথম কিস্তি দিতে হবে ৩১ মার্চের মধ্যে।
এদিকে রাজ্য সরকারের সময়সীমা বাড়ানোর আর্জি ঘিরে অসন্তোষ প্রকাশ করেছিলেন সরকারি কর্মীদের একাংশ। প্রতিবাদে আন্দোলনও হয়েছিল। তবে রবিবার মুখ্যমন্ত্রীর এই ঘোষণায় কর্মচারীদের মধ্যে স্বস্তির পরিবেশ তৈরি হয়েছে।





