কোচবিহার, ৯ ফেব্রুয়ারি : ছোটবেলা থেকেই পড়াশোনায় মেধাবি সে। ভবিষ্যতে ইঞ্জিনিয়ার হবার স্বপ্ন ছিল চোখে। সেই স্বপ্ন পূরণের লড়াইয়ের প্রস্তুতি নিতেই পাড়ি দিয়েছিল কোটায়। মানুষের জীবন অনিশ্চিত, সেই অনিশ্চয়তায় মুছে গেল মুছে গেল তার জীবনদীপ।অনরণ্য কর্মকার, কোচবিহারের ১৪ নম্বর ওয়ার্ডের বাসিন্দা। বাবা অবসরপ্রাপ্ত চাকরিজীবী।ছেলের স্বপ্ন পূরণ নিয়ে গোটা পরিবারের আশা। কোচবিহার থেকে রাজস্থানের কোটায় এজন্য প্রস্তুতি নিতে মায়ের সঙ্গে পাড়ি দিয়েছিল ওই কৃতী ছাত্র।
শনিবার মায়ের সঙ্গে একটি রেস্তোরায় খেতে গিয়েছিল সে। বহু দল ভেঙে ধ্বংসস্তূপে পরিণত হয় রেস্তোরাঁ। বেশ কয়েকজনের জীবনহনি হয় ওই মর্মান্তিক দুর্ঘটনায়।তাদের মধ্যে রয়েছে কোচবিহারের অনরণ্য। গতকাল থেকেই ঘটনার কথা ছড়িয়ে পড়ে।এলাকায় নেমে আসে শোকের ছায়া।তার বাবা অভিজিৎ কর্মকার, পরিবারের লোক গতকালই রওনা দিয়েছেন কোটায়।তাদের এক প্রতিবেশী জানান, ঘটনায় আমরা স্তম্ভিত হয়ে গিয়েছি। বিশ্বাস হচ্ছেনা।
জানা গিয়েছে, কোটার তালোয়ানদি এলাকায় ওই মর্মান্তিক দুর্ঘটনা ঘটেছে।ওই দুর্ঘটনায় গুরুতর জখম হয়েছেন অনরণ্যের মা সুদীপ্তা কর্মকারও। রাজস্থানের একটি হাসপাতালে তার চিকিৎসা চলছে।
কোটার ওই দুর্ঘটনায় কোচবিহার জুড়ে নেমেছে শোকের ছায়া। কর্মকার পরিবারে পরিচিত কয়েকজন জানান, এমন মর্মান্তিক দুর্ঘটনা মেনে নিতে পারছি না। ছোটবেলা থেকেই পড়াশোনায় মেধাবি ওই ছাত্র। বাবার মতই ইঞ্জিনিয়ার হওয়ার স্বপ্ন দেখেছিল সে।কোটা দুর্ঘটনা সব তছনছ করে দিল।





