কলকাতা, ৩১ মে: খুনের চেষ্টা, মারধর এবং বেআইনি অস্ত্র রাখার অভিযোগে পূর্ব যাদবপুর থেকে এক যুবককে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। ধৃতের নাম সুমন মণ্ডল। পুলিশ সূত্রে খবর, তাঁর কাছ থেকে একটি আগ্নেয়াস্ত্রও উদ্ধার হয়েছে। একই সঙ্গে পৃথক একটি ঘটনায় বিস্ফোরক পদার্থ মজুত রাখার অভিযোগে পূর্ব মেদিনীপুরের ভগবানপুর থেকে এক তৃণমূল নেতাকেও গ্রেপ্তার করা হয়েছে। দুটি ঘটনাকেই ঘিরে রাজনৈতিক মহলে ব্যাপক চর্চা শুরু হয়েছে।
পুলিশ সূত্রে জানা গিয়েছে, সম্প্রতি সুমন মণ্ডলের বিরুদ্ধে খুনের চেষ্টা এবং মারধরের অভিযোগ দায়ের হয়। সেই অভিযোগের ভিত্তিতেই তদন্ত শুরু করে পূর্ব যাদবপুর থানার পুলিশ। তদন্তের পর তাঁকে গ্রেপ্তার করা হয়। ধৃতের কাছ থেকে একটি আগ্নেয়াস্ত্র উদ্ধার হয়েছে বলেও দাবি পুলিশের।
স্থানীয় সূত্রে অভিযোগ, সুমন মণ্ডল এলাকায় দীর্ঘদিন ধরে প্রভাব খাটিয়ে চলতেন এবং তাঁর বিরুদ্ধে একাধিক অপরাধমূলক কর্মকাণ্ডে জড়িত থাকার অভিযোগ রয়েছে। রাজনৈতিক মহলের একাংশের দাবি, তিনি স্থানীয় তৃণমূল কাউন্সিলর অনন্যা বন্দ্যোপাধ্যায়ের ঘনিষ্ঠ। যদিও এই বিষয়ে কাউন্সিলরের কোনও প্রতিক্রিয়া এখনও সামনে আসেনি।
অন্যদিকে, পূর্ব মেদিনীপুর জেলার ভগবানপুরে বিস্ফোরক পদার্থ মজুত রাখার অভিযোগে গ্রেপ্তার করা হয়েছে রবিন মণ্ডল নামে এক তৃণমূল নেতাকে। তিনি পশ্চিম মেদিনীপুর জেলা পরিষদের সদস্য এবং ভগবানপুর ব্লক তৃণমূলের সভাপতি বলে জানা গিয়েছে। তাঁর বিরুদ্ধে ভারতীয় ন্যায় সংহিতার একাধিক ধারায় মামলা রুজু করা হয়েছে।
পুলিশ জানিয়েছে, ধৃতদের জিজ্ঞাসাবাদ করা হচ্ছে এবং ঘটনার নেপথ্যে অন্য কেউ জড়িত রয়েছে কি না, তাও খতিয়ে দেখা হচ্ছে। রবিন মণ্ডলকে কাঁথি আদালতে পেশ করা হবে বলে জানা গিয়েছে।
দুটি ঘটনাকেই গুরুত্ব দিয়ে দেখছে তদন্তকারী সংস্থাগুলি। আইনশৃঙ্খলা রক্ষায় কোনওরকম আপস করা হবে না বলে প্রশাসনিক সূত্রে ইঙ্গিত মিলেছে। তদন্তের অগ্রগতির সঙ্গে সঙ্গে আরও তথ্য সামনে আসতে পারে বলে মনে করছে পুলিশ।





