শিলিগুড়ি: ১০ অক্টোবর: পিতৃপক্ষের অবসান ঘটিয়ে সূচনা দেবীপক্ষের। দেবীর আগমনী বার্তায় উৎসবের আবহে সেজে উঠেছে শিলিগুড়ি। মহালয়া উপলক্ষে শহরের লাইফলাইন মহানন্দা নদীর লালমোহন মল্লিক ঘাট-সহ বিভিন্ন ঘাটে ভিড় জমান অসংখ্য পুণ্যার্থী ও দর্শনার্থী।
অশুভ শক্তির বিনাশ এবং শুভশক্তির জয়ের প্রার্থনায় মুখরিত হয়ে ওঠে নদীর তীর। মহালয়ার এই পুণ্যলগ্নে শৈশবের স্মৃতিচারণের পাশাপাশি দুর্গাপুজোকে কেন্দ্র করে সম্প্রীতি, সৌভ্রাতৃত্ব ও মেলবন্ধনের বার্তা দেন শিলিগুড়ির বিধায়ক তথা মন্ত্রী শংকর ঘোষ।
মহালয়া মানেই দেবীপক্ষের সূচনা, শৈশবের মধুর স্মৃতি এবং নতুন আশার আলো। উৎসবের এই আবহে জাতি-ধর্ম নির্বিশেষে মানুষের মধ্যে সম্প্রীতি ও সৌভ্রাতৃত্ব আরও দৃঢ় হোক, সেই বার্তাই উঠে আসে মন্ত্রীর বক্তব্যে।
অন্যদিকে, মহালয়া উপলক্ষে মহানন্দা নদীর তীরে পুণ্যার্থীদের পরিষেবায় এগিয়ে আসে বিহারী কল্যাণ মঞ্চ। সংগঠনের পক্ষ থেকে একটি সেবা শিবিরের আয়োজন করা হয়। সেখানে পুণ্যার্থীদের জন্য পানীয় জল, চা এবং প্রাথমিক চিকিৎসার ব্যবস্থা রাখা হয়। শিবিরে উপস্থিত ছিলেন চিকিৎসক ও নার্সরাও।
পাশাপাশি, মহানন্দা নদীকে পরিষ্কার-পরিচ্ছন্ন রাখতেও উদ্যোগী হন মঞ্চের সদস্যরা। পুজো দিতে আসা পুণ্যার্থীদের যাতে কোনও অসুবিধার সম্মুখীন হতে না হয় এবং নদীর পরিবেশও পরিচ্ছন্ন থাকে, সেই লক্ষ্যেই এই উদ্যোগ বলে জানানো হয়েছে।
মহালয়ার পুণ্যলগ্নে একদিকে দেবীপক্ষকে স্বাগত জানাতে মানুষের ঢল, অন্যদিকে সেবার মাধ্যমে সম্প্রীতির বার্তা—সব মিলিয়ে উৎসবের আবহে অন্য মাত্রা পেল মহানন্দার তীর।





