খবরিয়া ২৪ ডেস্ক, ১০ ফেব্রুয়ারিঃ ফের সুপ্রিম কোর্টে পিছিয়ে গেল আইপ্যাক মামলা। মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের আইনজীবী কপিল সিব্বল অসুস্থ হয়ে পড়ায় শুনানি মুলতুবির আবেদন জানানো হয়। সেই আবেদনে সম্মতি দিয়েছে শীর্ষ আদালত। ফলে নির্ধারিত দিনে শুনানি না হয়ে আগামী ১৮ ফেব্রুয়ারি এই মামলার পরবর্তী শুনানি হবে বলে জানা গেছে।
বিচারপতি প্রশান্তকুমার মিশ্র এবং বিচারপতি বিপুল মনুভাই পাঞ্চোলির বেঞ্চে আজ, ১০ ফেব্রুয়ারি মামলাটির শুনানি হওয়ার কথা ছিল। এর আগে ৩ ফেব্রুয়ারি শুনানির দিন ধার্য থাকলেও তা পিছিয়ে যায়। শুনানির আগেই সুপ্রিম কোর্টের নির্দেশ মেনে রাজ্য সরকার হলফনামা জমা দেয়। সেই হলফনামায় রাজ্যের তরফে দাবি করা হয়, এই মামলায় এনফোর্সমেন্ট ডিরেক্টরেটের (ইডি) সুপ্রিম কোর্টে মামলা দায়ের করার অধিকারই নেই।
হলফনামায় আরও বলা হয়, ইডির তল্লাশি অভিযানে মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় কোনও ভাবেই বাধা দেননি। অনুমতি নিয়েই তিনি দলীয় নথি সংগ্রহ করতে গিয়েছিলেন। রাজ্যের সেই হলফনামা খতিয়ে দেখার জন্য সময় চান ইডির তরফে সলিসিটর জেনারেল তুষার মেহেতা। পাশাপাশি, ইডির নিজস্ব হলফনামা পেশের জন্যও সময় চাওয়া হয়। আদালত সেই আবেদনের প্রেক্ষিতে রাজ্যের মতামত জানতে চাইলে রাজ্য সম্মতি দেয়, ফলে তখনও শুনানি পিছিয়ে যায়।
উল্লেখ্য, গত ৮ জানুয়ারি তৃণমূল কংগ্রেসের রাজনৈতিক পরামর্শদাতা সংস্থা আইপ্যাকের কার্যালয় এবং সংস্থার কর্ণধার প্রতীক জৈনের বাড়িতে তল্লাশি চালায় ইডি। সেই সময় মুখ্যমন্ত্রী সেখানে পৌঁছে কিছু ফাইল সঙ্গে নিয়ে যান। পরে সংবাদমাধ্যমের সামনে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় অভিযোগ করেন, তাঁর দলের জরুরি নথি, নির্বাচনী রণকৌশল ও সম্ভাব্য প্রার্থী তালিকা ছিনতাইয়ের ষড়যন্ত্র করেছে ইডি। দলের স্বার্থেই তিনি নথি সঙ্গে নিয়ে যাচ্ছেন বলে দাবি করেন মুখ্যমন্ত্রী।
অন্যদিকে, ইডির অভিযোগ, মুখ্যমন্ত্রী স্বয়ং তদন্তের কাজে বাধা দিয়েছেন। তাঁকে সহায়তা করেছেন রাজ্য পুলিশের তৎকালীন ডিজি রাজীব কুমার, কলকাতার তৎকালীন পুলিশ কমিশনার মনোজ বর্মা-সহ পুলিশের একাধিক উচ্চপদস্থ আধিকারিক। এই টানাপোড়েনের মধ্যেই ফের পিছোল আইপ্যাক মামলার শুনানি।





