কোচবিহার, ৩১ মে: বাংলার খাদ্য সংস্কৃতি এবং ঐতিহ্যকে সামনে রেখে কোচবিহার শহরের ১১ নম্বর ওয়ার্ডে ‘মাছে-ভাতে’ কর্মসূচির আয়োজন করল ভারতীয় জনতা পার্টি। রবিবার অনুষ্ঠিত এই কর্মসূচিতে বিজেপির নেতা-কর্মী, সমর্থক এবং এলাকার বহু সাধারণ মানুষ অংশগ্রহণ করেন। অনুষ্ঠানকে ঘিরে এলাকায় উৎসবমুখর পরিবেশের সৃষ্টি হয়।
রাজ্যের রাজনৈতিক পরিবর্তনের পর বিভিন্ন জেলায় বিজেপির পক্ষ থেকে ‘মাছে-ভাতে’ কর্মসূচির আয়োজন করা হচ্ছে। সেই ধারাবাহিকতায় কোচবিহার শহরেও এই উদ্যোগ নেওয়া হয়। অনুষ্ঠানে উপস্থিত সকলের জন্য মাছ-ভাতের আয়োজন করা হয় এবং স্থানীয় বাসিন্দাদের সঙ্গে সরাসরি যোগাযোগ স্থাপনের চেষ্টা করেন দলের নেতারা।
রাজনৈতিক মহলের মতে, এই কর্মসূচির মাধ্যমে বিজেপি বাংলার খাদ্যাভ্যাস ও সংস্কৃতি সম্পর্কে নিজেদের অবস্থান স্পষ্ট করার চেষ্টা করছে। কারণ, অতীতে বিভিন্ন নির্বাচনের সময় তৃণমূল কংগ্রেসের পক্ষ থেকে অভিযোগ করা হয়েছিল যে বিজেপি ক্ষমতায় এলে বাংলার ঐতিহ্যবাহী খাদ্য সংস্কৃতির ওপর প্রভাব পড়তে পারে এবং মাছ খাওয়ার মতো বিষয়েও বিধিনিষেধ আরোপ করা হতে পারে। যদিও বিজেপি বরাবরই সেই অভিযোগ অস্বীকার করেছে।
রবিবারের অনুষ্ঠানে বক্তব্য রাখতে গিয়ে কোচবিহার জেলা বিজেপি ওবিসি মোর্চার সভাপতি সুব্রত কর বলেন, বাংলার সংস্কৃতি, ঐতিহ্য ও জীবনযাত্রার সঙ্গে মাছ-ভাত অঙ্গাঙ্গিভাবে জড়িত। মাছ শুধু একটি খাদ্য নয়, এটি বাঙালির আবেগ ও সংস্কৃতিরও অংশ। বিজেপি কখনও বাংলার সংস্কৃতির বিরোধিতা করে না, বরং সেই সংস্কৃতিকে সম্মান জানিয়েই দল কাজ করে বলে তিনি দাবি করেন।
তিনি আরও বলেন, বিরোধীরা বিজেপিকে নিয়ে যে বিভ্রান্তিকর প্রচার চালিয়েছিল, বাস্তবে তার কোনও ভিত্তি নেই। বাংলার সংস্কৃতি ও ঐতিহ্যকে সম্মান জানাতে এবং সাধারণ মানুষের কাছে সেই বার্তা পৌঁছে দিতেই এই ধরনের কর্মসূচির আয়োজন করা হচ্ছে।
অনুষ্ঠানে উপস্থিত স্থানীয় বাসিন্দাদের অনেকেই এই উদ্যোগকে স্বাগত জানান। রাজনৈতিক কর্মসূচির পাশাপাশি সামাজিক সম্প্রীতি ও জনসংযোগ বৃদ্ধির ক্ষেত্রেও এই ধরনের আয়োজন গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে বলে মত প্রকাশ করেন অংশগ্রহণকারীরা।
‘মাছে-ভাতে’ কর্মসূচিকে ঘিরে কোচবিহারের ১১ নম্বর ওয়ার্ডে দিনভর ছিল উৎসবের আবহ। বিজেপি নেতৃত্বের দাবি, আগামী দিনেও জেলার বিভিন্ন এলাকায় এই ধরনের সাংস্কৃতিক ও সামাজিক কর্মসূচির আয়োজন করা হবে।
কোচবিহার, ৩১ মে: বাংলার খাদ্য সংস্কৃতি এবং ঐতিহ্যকে সামনে রেখে কোচবিহার শহরের ১১ নম্বর ওয়ার্ডে ‘মাছে-ভাতে’ কর্মসূচির আয়োজন করল ভারতীয় জনতা পার্টি। রবিবার অনুষ্ঠিত এই কর্মসূচিতে বিজেপির নেতা-কর্মী, সমর্থক এবং এলাকার বহু সাধারণ মানুষ অংশগ্রহণ করেন। অনুষ্ঠানকে ঘিরে এলাকায় উৎসবমুখর পরিবেশের সৃষ্টি হয়।
রাজ্যের রাজনৈতিক পরিবর্তনের পর বিভিন্ন জেলায় বিজেপির পক্ষ থেকে ‘মাছে-ভাতে’ কর্মসূচির আয়োজন করা হচ্ছে। সেই ধারাবাহিকতায় কোচবিহার শহরেও এই উদ্যোগ নেওয়া হয়। অনুষ্ঠানে উপস্থিত সকলের জন্য মাছ-ভাতের আয়োজন করা হয় এবং স্থানীয় বাসিন্দাদের সঙ্গে সরাসরি যোগাযোগ স্থাপনের চেষ্টা করেন দলের নেতারা।
রাজনৈতিক মহলের মতে, এই কর্মসূচির মাধ্যমে বিজেপি বাংলার খাদ্যাভ্যাস ও সংস্কৃতি সম্পর্কে নিজেদের অবস্থান স্পষ্ট করার চেষ্টা করছে। কারণ, অতীতে বিভিন্ন নির্বাচনের সময় তৃণমূল কংগ্রেসের পক্ষ থেকে অভিযোগ করা হয়েছিল যে বিজেপি ক্ষমতায় এলে বাংলার ঐতিহ্যবাহী খাদ্য সংস্কৃতির ওপর প্রভাব পড়তে পারে এবং মাছ খাওয়ার মতো বিষয়েও বিধিনিষেধ আরোপ করা হতে পারে। যদিও বিজেপি বরাবরই সেই অভিযোগ অস্বীকার করেছে।
রবিবারের অনুষ্ঠানে বক্তব্য রাখতে গিয়ে কোচবিহার জেলা বিজেপি ওবিসি মোর্চার সভাপতি সুব্রত কর বলেন, বাংলার সংস্কৃতি, ঐতিহ্য ও জীবনযাত্রার সঙ্গে মাছ-ভাত অঙ্গাঙ্গিভাবে জড়িত। মাছ শুধু একটি খাদ্য নয়, এটি বাঙালির আবেগ ও সংস্কৃতিরও অংশ। বিজেপি কখনও বাংলার সংস্কৃতির বিরোধিতা করে না, বরং সেই সংস্কৃতিকে সম্মান জানিয়েই দল কাজ করে বলে তিনি দাবি করেন।
তিনি আরও বলেন, বিরোধীরা বিজেপিকে নিয়ে যে বিভ্রান্তিকর প্রচার চালিয়েছিল, বাস্তবে তার কোনও ভিত্তি নেই। বাংলার সংস্কৃতি ও ঐতিহ্যকে সম্মান জানাতে এবং সাধারণ মানুষের কাছে সেই বার্তা পৌঁছে দিতেই এই ধরনের কর্মসূচির আয়োজন করা হচ্ছে।
অনুষ্ঠানে উপস্থিত স্থানীয় বাসিন্দাদের অনেকেই এই উদ্যোগকে স্বাগত জানান। রাজনৈতিক কর্মসূচির পাশাপাশি সামাজিক সম্প্রীতি ও জনসংযোগ বৃদ্ধির ক্ষেত্রেও এই ধরনের আয়োজন গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে বলে মত প্রকাশ করেন অংশগ্রহণকারীরা।
‘মাছে-ভাতে’ কর্মসূচিকে ঘিরে কোচবিহারের ১১ নম্বর ওয়ার্ডে দিনভর ছিল উৎসবের আবহ। বিজেপি নেতৃত্বের দাবি, আগামী দিনেও জেলার বিভিন্ন এলাকায় এই ধরনের সাংস্কৃতিক ও সামাজিক কর্মসূচির আয়োজন করা হবে।





