কলকাতা, ১৩ মেঃ বাংলার রাজনৈতিক ময়দানে ‘মাছে-ভাতে বাঙালি’ আবেগ বরাবরই গুরুত্বপূর্ণ ইস্যু। নির্বাচনী প্রচারে বিজেপিকে আক্রমণ করতে এই ইস্যুকেই হাতিয়ার করেছিল তৎকালীন শাসকদল। তবে এবার ক্ষমতায় এসে সেই বাঙালি আবেগকেই গুরুত্ব দিতে দেখা গেল বিজেপি নেতৃত্বকে। নবান্নের পর এবার বিধানসভার শপথগ্রহণ অনুষ্ঠানেও মধ্যাহ্নভোজে ছিল মাছ-ভাতের বিশেষ আয়োজন।
বুধবার বিধানসভায় মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী-সহ মোট ১৫২ জন বিধায়ক শপথ নেন। শপথগ্রহণ করেন তৃণমূল বিধায়ক নিয়ামত শেখ-সহ আরও কয়েকজন বিরোধী সদস্যও। উপস্থিত ছিলেন আমজনতা উন্নয়ন পার্টির বিধায়ক হুমায়ুন কবীর-ও।
শপথগ্রহণ পর্ব শেষে প্রোটেম স্পিকার তাপস রায় ঘোষণা করেন, সব সদস্যদের জন্য মধ্যাহ্নভোজের ব্যবস্থা করা হয়েছে এবং মেনুতে রয়েছে মাছ-ভাত। এই ঘোষণা ঘিরেই বিধানসভায় শুরু হয় জোর চর্চা। রাজনৈতিক মহলের মতে, বাঙালির খাদ্যাভ্যাস ও সংস্কৃতিকে গুরুত্ব দেওয়ার বার্তাই দিতে চাইছে নতুন সরকার।
উল্লেখ্য, এর আগেও নবান্নে নবনির্বাচিত বিজেপি বিধায়কদের সঙ্গে বৈঠকে সন্ধ্যার জলখাবারে ফিশফ্রাইয়ের আয়োজন করা হয়েছিল। ফলে রাজনৈতিক পর্যবেক্ষকদের মতে, বিজেপি এবার বাংলার সংস্কৃতি ও খাদ্যাভ্যাসকে সামনে রেখেই জনসংযোগের নতুন কৌশল নিয়েছে।





