খবরিয়া ২৪ ডেস্ক, ২০ জানুয়ারিঃ কর্ণাটক পুলিশের শীর্ষস্তরে বড়সড় বিতর্ক তৈরি হয়েছে। সোনা পাচার মামলায় জেলবন্দি অভিনেত্রী রান্যা রাওয়ের বাবা, রাজ্যের ডিজিপি পদমর্যাদার আইপিএস অফিসার ডঃ কে রামচন্দ্র রাওকে ঘিরে এবার নতুন বিতর্ক। তাঁর বিরুদ্ধে আপত্তিকর আচরণের অভিযোগ উঠেছে এবং সেই সংক্রান্ত একাধিক ভিডিও ও অডিও ক্লিপ সোশ্যাল মিডিয়ায় ভাইরাল হয়েছে। ভিডিওগুলিতে দেখা যাচ্ছে, উর্দি পরিহিত অবস্থাতেই তিনি নিজের দপ্তরের ভিতরে একাধিক মহিলার সঙ্গে ঘনিষ্ঠ অবস্থায় রয়েছেন। কিছু অডিও ক্লিপে মহিলাদের সঙ্গে অশ্লীল কথোপকথনের অভিযোগও সামনে এসেছে।
যদিও এই ভিডিও ও অডিওর সত্যতা স্বাধীনভাবে যাচাই করেনি সংবাদমাধ্যম। তবু সোমবার ভিডিওগুলি প্রকাশ্যে আসার পরই রাজ্য সরকার দ্রুত পদক্ষেপ করে ডিরেক্টরেট অব সিভিল রাইটস এনফোর্সমেন্টের ডিরেক্টর জেনারেল অব পুলিশ পদে থাকা কে রামচন্দ্র রাওকে বরখাস্ত করে। সরকারি বরখাস্তের বয়ানে বলা হয়েছে, তাঁর আচরণ একজন সরকারি কর্মচারীর জন্য শোভনীয় নয় এবং এতে সরকারও বিব্রত হয়েছে। তদন্ত চলাকালীন তাঁকে অবিলম্বে কার্যকরভাবে সাসপেন্ড করা প্রয়োজন বলে রাজ্য সরকার মনে করছে। সাসপেনশন চলাকালীন রাজ্য সরকারের লিখিত অনুমতি ছাড়া তিনি সদর দপ্তর ত্যাগ করতে পারবেন না বলেও নির্দেশে উল্লেখ রয়েছে।
অন্যদিকে, সমস্ত অভিযোগ অস্বীকার করেছেন কে রামচন্দ্র রাও। তাঁর দাবি, ভিডিওগুলি সম্পূর্ণ বানানো ও মিথ্যা। সাংবাদিকদের তিনি বলেন, “আমি হতবাক। এগুলো কীভাবে তৈরি হল বা কে করেছে, সে বিষয়ে আমার কোনও ধারণা নেই।” ভিডিওগুলি পুরনো কি না জানতে চাইলে তিনি বলেন, সেগুলি বহু বছর আগের হতে পারে, যখন তিনি বেলাগাভিতে কর্মরত ছিলেন।
ঘটনার রেশ পৌঁছেছে কর্ণাটক সরকারের শীর্ষস্তরেও। সূত্রের খবর, মুখ্যমন্ত্রী সিদ্দারামাইয়া বিষয়টি জানার পর এবং ভিডিও দেখার পরে তীব্র ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন। তিনি স্বরাষ্ট্র দপ্তরের কাছে অবিলম্বে ব্যাখ্যা তলব করেছেন এবং পুলিশ প্রশাসনের নজরের মধ্যেই কীভাবে এমন ঘটনা ঘটল, তা জানতে চেয়েছেন।





