জলপাইগুড়ি, ৭ জানুয়ারি : মানুষের দেওয়া সামগ্রীর উপর নির্ভর করেই দিন গুজরান হচ্ছে ক্রান্তি ব্লকের ক্রান্তি গ্রাম পঞ্চায়েতের ঝারমাঝগ্রাম সরকারপাড়া এলাকার এক অসহায় পরিবারের।ওই পরিবারের সদস্য সাহারুল মোহাম্মদ শারীরিক প্রতিবন্ধী এবং শাহিদুল ইসলাম মানসিক ভারসাম্যহীন।পরিবারে রয়েছেন পাঁচজন মহিলা সদস্য ও দু’জন শিশু।অন্যের দেওয়া সাহায্যেই চলছে তাঁদের সংসার।
পরিবারের এক সদস্য সাহারুল মোহাম্মদ বর্তমানে ৬০ বছরের ঊর্ধ্বে। অভিযোগ, একাধিকবার ভিডিও অফিস ও স্থানীয় পঞ্চায়েতকে জানানো সত্ত্বেও আজও মেলেনি কোনও বেকার ভাতা বা সরকারি সহায়তা। আধুনিকতার এই যুগেও পাটকাঠি দিয়ে তৈরি একটি ভগ্নপ্রায় ঘরে তাঁদের বসবাস।বৃষ্টি নামলেই অঝোরে ভিজে যায় ঘরের ভেতর, ভিজে যায় পরিবারের সদস্যদের শরীর।
পরিবারটির তরফে প্রশাসনের কাছে বারবার সাহায্যের আবেদন জানানো হয়েছে।তাঁদের অসহায় অবস্থার কথা জানতে পেরে ছুটে আসেন এলাকার সমাজসেবী প্রতিমা রয়। তিনি বিষয়টি পদ্মশ্রী করিমুল হককে জানান। পরবর্তীতে পদ্মশ্রী করিমুল হকের উদ্যোগে মালদার প্রাক্তন ফুটবলার উৎপল গুহর সঙ্গে যোগাযোগ করে পরিবারটির হাতে কিছু প্রয়োজনীয় সামগ্রী তুলে দেওয়া হয়। পরিবারের মহিলা সদস্যদের নাম সাবিনা বানু, আয়েশা খাতুন, তমিজা বানু, মোনোয়ারা খাতুন ও জোবেদা খাতুন। বর্তমানে প্রশাসন তাঁদের পাশে কতটা দাঁড়ায়,সেদিকেই তাকিয়ে রয়েছে গোটা এলাকা।
পরিবারটির অভিযোগ, কংগ্রেস আমলে তাঁরা একটি ঘর পেয়েছিলেন।কিন্তু তারপরে সিপিএম ও তৃণমূল কংগ্রেস সরকার এলেও আর কোনও সরকারি সহায়তা মেলেনি।এলাকার স্থানীয় বাসিন্দা দ্বিজেন রায় জানান, পরিবারটি অত্যন্ত অসহায় অবস্থায় দিন কাটাচ্ছে।স্থানীয় প্রশাসন ও বিভিন্ন স্বেচ্ছাসেবী সংস্থা যদি পাশে দাঁড়ায়, তাহলে পরিবারটি যথেষ্ট উপকৃত হবে বলে তিনি মত প্রকাশ করেন।





