শিলিগুড়ি, ৪ নভেম্বরঃ রাতের অন্ধকারে মাঠে দাঁড়িয়ে ছিলেন এক যুবক। আচমকাই কয়েক জনের হামলা। ধারালো অস্ত্রের আঘাতে রক্তাক্ত হয়ে মাটিতে লুটিয়ে পড়লেন তিনি। চিৎকার শুনে স্থানীয় বাসিন্দারা ছুটে আসতেই পালানোর চেষ্টা করে অভিযুক্তেরা। অম্বিকানগরের এই ঘটনাকে কেন্দ্র করে এলাকায় ছড়িয়েছে চাঞ্চল্য। হামলার ঘটনায় দু’জনকে গ্রেফতার করেছে নিউ জলপাইগুড়ি থানার পুলিশ। তবে কী কারণে ওই যুবকের উপর হামলা চালানো হল, তা এখনও স্পষ্ট নয়।
পুলিশ সূত্রে জানা গিয়েছে, আক্রান্তের নাম রবি বর্মন। গতকাল রাত আটটা নাগাদ অম্বিকানগরের একটি মাঠে দাঁড়িয়েছিলেন তিনি। অভিযোগ, সেই সময় কয়েক জন যুবক আচমকা তাঁর উপর চড়াও হয়। বচসা বা কোনও পূর্ববিরোধের জেরে হামলা কি না, তা খতিয়ে দেখছেন তদন্তকারীরা। হামলাকারীদের মধ্যে এক জন ধারালো অস্ত্র দিয়ে রবিকে আঘাত করে বলে অভিযোগ। গুরুতর জখম অবস্থায় মাঠের মধ্যে পড়ে যান তিনি।
রক্তাক্ত যুবককে পড়ে থাকতে দেখে স্থানীয় বাসিন্দারা দ্রুত ঘটনাস্থলে পৌঁছন। তাঁদের উপস্থিতি টের পেয়ে অভিযুক্তেরা পালানোর চেষ্টা করে বলে অভিযোগ। সেই সময় এক জনকে ধরে ফেলেন স্থানীয় বাসিন্দারা। পরে তাঁকে পুলিশের হাতে তুলে দেওয়া হয়। ঘটনার খবর পেয়ে নিউ জলপাইগুড়ি থানার পুলিশও দ্রুত এলাকায় পৌঁছয়।
প্রাথমিক ভাবে এক জনকে আটক করার পর তদন্তে নামে পুলিশ। ঘটনার সূত্র ধরে পরে আরও এক জনকে গ্রেফতার করা হয়। সব মিলিয়ে এই ঘটনায় ধৃতের সংখ্যা বেড়ে দাঁড়িয়েছে দুই। হামলায় ব্যবহৃত ধারালো অস্ত্র উদ্ধার হয়েছে কি না, অভিযুক্তদের সঙ্গে আক্রান্তের পূর্বপরিচয় বা কোনও বিবাদ ছিল কি না, সে সব দিক খতিয়ে দেখা হচ্ছে।
অন্য দিকে, গুরুতর জখম রবি বর্মনকে উদ্ধার করে উত্তরবঙ্গ মেডিক্যাল কলেজ ও হাসপাতালে ভর্তি করানো হয়েছে। হাসপাতাল সূত্রে তাঁর শারীরিক অবস্থা আশঙ্কাজনক বলে জানা গিয়েছে। ঠিক কী কারণে এই হামলা, ঘটনায় আরও কেউ জড়িত রয়েছে কি না, তা জানতে ধৃতদের জিজ্ঞাসাবাদ করছেন তদন্তকারীরা। অম্বিকানগরের এই হামলার পিছনে ব্যক্তিগত শত্রুতা, নাকি অন্য কোনও কারণ রয়েছে, এখন সেই প্রশ্নেরই উত্তর খুঁজছে পুলিশ।





