কলকাতা, ১৫ জুনঃ দিল্লির রাজনৈতিক মহলে নতুন করে জোর চর্চার কেন্দ্রবিন্দুতে উঠে এসেছে ন্যাশনালিস্ট সিটিজেন্স পার্টি অফ ইন্ডিয়া (এনসিপিআই)। সূত্রের খবর, তৃণমূল কংগ্রেসের ২০ জন বিদ্রোহী সাংসদ এনসিপিআই-তে যোগ দিয়ে লোকসভায় পৃথক ব্লকের স্বীকৃতি চেয়েছেন। এই পদক্ষেপের ফলে জাতীয় রাজনীতিতে এক নতুন সমীকরণ তৈরি হয়েছে বলে মনে করছেন রাজনৈতিক বিশ্লেষকরা।
জানা গিয়েছে, বিদ্রোহী সাংসদদের মধ্যে রয়েছেন কলকাতা উত্তরের সাংসদ সুদীপ বন্দ্যোপাধ্যায়ও। বিদ্রোহী শিবিরের সঙ্গে তাঁর নাম জড়ানোর পর থেকেই রাজনৈতিক জল্পনা তুঙ্গে ওঠে। সম্প্রতি তিনি বিদ্রোহী গোষ্ঠীর প্রতি সমর্থন জানিয়েছেন বলেও বিভিন্ন প্রতিবেদনে দাবি করা হয়েছে।
এদিকে, সূত্রের খবর অনুযায়ী সুদীপ বন্দ্যোপাধ্যায়ের নিরাপত্তা বাড়িয়ে তাঁকে ওয়াই ক্যাটাগরির নিরাপত্তা দেওয়া হয়েছে। পাশাপাশি বিদ্রোহী শিবিরের অন্যান্য সাংসদদের নিরাপত্তা ব্যবস্থাও পর্যালোচনা করা হচ্ছে বলে রাজনৈতিক মহলে আলোচনা শুরু হয়েছে।
অন্যদিকে, এনসিপিআই ইতিমধ্যেই নিজেদের রাজনৈতিক বিস্তারের লক্ষ্য হিসেবে পশ্চিমবঙ্গ, অসম এবং ত্রিপুরাকে চিহ্নিত করেছে বলে জানা গিয়েছে। দলটির তরফে বিদ্রোহী সাংসদদের স্বাগত জানানো হয়েছে এবং লোকসভায় নিজেদের পশ্চিমবঙ্গের বৃহত্তম রাজনৈতিক শক্তি বলেও দাবি করা হয়েছে।
তবে এই রাজনৈতিক পদক্ষেপকে ঘিরে বিতর্কও কম নয়। দলত্যাগ বিরোধী আইনের প্রশ্নে এই সংযুক্তিকরণ কতটা বৈধ, তা নিয়ে ইতিমধ্যেই আইনি ও সাংবিধানিক বিতর্ক শুরু হয়েছে। তৃণমূল নেতৃত্বও এই পদক্ষেপের বিরোধিতা করেছে বলে জানা গিয়েছে।
সব মিলিয়ে, বিদ্রোহী সাংসদদের এনসিপিআই-তে যোগদান এবং এনডিএ-কে সমর্থনের ঘোষণায় পশ্চিমবঙ্গের রাজনীতিতে নতুন অধ্যায়ের সূচনা হয়েছে বলেই মনে করছে রাজনৈতিক মহল।





