কোচবিহার, ১১ আগস্টঃ সরকারি দফতরে যেতে পারেন না। বয়সের ভারে এক অফিস থেকে অন্য অফিসে ছোটাছুটিও কষ্টকর। এক প্রবীণের সেই আক্ষেপ শুনে কথা দিয়েছিলেন বাড়িতেই এসে করে দেবেন আয়ুষ্মান ভারতের ফর্ম পূরণ। পর দিনই কথা রাখলেন প্রাক্তন বিজেপি বিধায়ক নিখিল রঞ্জন দে।
জানা গিয়েছে, আগের দিন সকালে মর্নিং ওয়াকে বেরিয়েছিলেন নিখিল। সেই সময় এক প্রবীণ নাগরিকের সঙ্গে তাঁর কথা হয়। কথায় কথায় ওই ব্যক্তি জানান, বয়স ৭০ পেরিয়েছে। বয়সজনিত কারণে সরকারি বিভিন্ন দফতরে গিয়ে প্রয়োজনীয় কাজ করা তাঁর পক্ষে যথেষ্ট কষ্টকর। বিশেষ করে কোনও সরকারি প্রকল্পের সুবিধা পেতে ফর্ম পূরণ বা প্রয়োজনীয় নথিপত্র জমা দেওয়ার মতো কাজেও সমস্যায় পড়তে হয় তাঁকে।
তখনই ওই প্রবীণ নাগরিকের বাড়িতে গিয়ে আয়ুষ্মান ভারত প্রকল্পের ফর্ম পূরণ করে দেওয়ার আশ্বাস দেন প্রাক্তন বিধায়ক। শুধু আশ্বাসেই থেমে থাকেননি। প্রতিশ্রুতি মতো পর দিনই তাঁর বাড়িতে পৌঁছে যান নিখিল রঞ্জন দে। সেখানেই বসে আয়ুষ্মান ভারত প্রকল্পের প্রয়োজনীয় ফর্ম পূরণ করে দেন তিনি।
হঠাৎ করে বাড়ির দরজায় প্রাক্তন বিধায়ককে দেখে খুশি প্রবীণ নাগরিক এবং তাঁর পরিবারের সদস্যরা। তাঁদের কথায়, বয়সের কারণে যে কাজটি করতে সরকারি দফতরে ছুটতে হত, সেটিই বাড়িতে এসে করে দেওয়ায় অনেকটা সুবিধা হয়েছে।
রাজনীতির মাঠে পদ-পদবি বদলাতে পারে। কিন্তু মানুষের দরজায় গিয়ে প্রয়োজনের সময়ে পাশে দাঁড়ানোর এই উদ্যোগই আপাতত আলোচনায়। এক প্রবীণের ছোট্ট অনুরোধ শুনে দেওয়া প্রতিশ্রুতি, আর তার পরের দিনই তা বাস্তবায়ন নিখিলের এই উদ্যোগকে মানবিকতার নজির হিসাবেই দেখছে পরিবারটি।





