দিনহাটা, ২৮ সেপ্টেম্বরঃ জন্ম শংসাপত্র ডিজিটাল করাতে পুরসভায় এসে কাটফাটা রোদে দীর্ঘক্ষণ অপেক্ষা। দিনহাটা পুরসভা চত্বরে পরিষেবা নিয়ে ক্ষোভ উগরে দিয়ে এক মহিলার প্রশ্ন, “বাচ্চা অসুস্থ হলে দায় সরকারকে নিতে হবে!”
সোমবার দিনহাটা পুরসভায় জন্ম শংসাপত্র ডিজিটাল করাতে এসেছিলেন ওই মহিলা। তাঁর অভিযোগ, প্রয়োজনীয় নথি সংক্রান্ত কাজের জন্য এসে দীর্ঘক্ষণ লাইনে দাঁড়িয়ে থাকতে হচ্ছে। কিন্তু অপেক্ষারত নাগরিকদের জন্য পর্যাপ্ত ব্যবস্থা না থাকায় তীব্র রোদের মধ্যেই দাঁড়িয়ে থাকতে হচ্ছে তাঁদের। পরিস্থিতিতে মহিলা ও শিশুদের সমস্যায় পড়তে হচ্ছে বলেও অভিযোগ করেন তিনি।
ওই মহিলার দাবি, সরকারি পরিষেবা নিতে এসে সাধারণ মানুষকে যাতে ঘণ্টার পর ঘণ্টা রোদে দাঁড়িয়ে থাকতে না হয়, সে জন্য পুরসভার তরফে উপযুক্ত ব্যবস্থা করা প্রয়োজন। বিশেষ করে সঙ্গে শিশু থাকলে পরিস্থিতি আরও সমস্যার হয়ে দাঁড়ায় বলে তাঁর বক্তব্য। কোনও শিশু অপেক্ষারত অবস্থায় অসুস্থ হয়ে পড়লে তার দায় কে নেবে, সেই প্রশ্নও তোলেন তিনি।
ক্ষোভ প্রকাশ করে তাঁর বক্তব্য, “বাচ্চা অসুস্থ হলে দায় সরকারকে নিতে হবে।” একই সঙ্গে জন্ম শংসাপত্র ডিজিটাল করার প্রক্রিয়া আরও সহজ ও দ্রুত করার দাবি জানিয়েছেন তিনি। পরিষেবা নিতে আসা মানুষজনের জন্য ছাউনি, বসার জায়গা এবং অপেক্ষার সুব্যবস্থা করার কথাও উঠে এসেছে তাঁর বক্তব্যে।
ঘটনাকে ঘিরে সোমবার দিনহাটা পুরসভা চত্বরে কিছুটা উত্তেজনা তৈরি হয়। পরিষেবা নিতে আসা নাগরিকদের একাংশের অভিযোগ, জন্ম শংসাপত্রের মতো প্রয়োজনীয় নথির কাজ করতে এসে দীর্ঘক্ষণ অপেক্ষা করতে হলে ভোগান্তিতে পড়তে হয় সাধারণ মানুষকে। তার উপর রোদ-বৃষ্টির মতো পরিস্থিতিতে অপেক্ষার জায়গায় পর্যাপ্ত পরিকাঠামো না থাকলে সমস্যা আরও বাড়ে।
তাঁদের বক্তব্য, সরকারি পরিষেবা দ্রুত দেওয়ার পাশাপাশি পরিষেবা নিতে আসা নাগরিকদের ন্যূনতম সুযোগ-সুবিধার বিষয়টিও গুরুত্ব দিয়ে দেখা প্রয়োজন। বিশেষ করে শিশু, মহিলা এবং প্রবীণদের জন্য অপেক্ষার ব্যবস্থা আরও নাগরিকবান্ধব করার দাবি উঠেছে।





