আবহাওয়া আইপিএল-2025 টাকা পয়সা পশ্চিমবঙ্গ ভারত ব্যবসা চাকরি রাশিফল স্বাস্থ্য প্রযুক্তি লাইফস্টাইল শেয়ার বাজার মিউচুয়াল ফান্ড আধ্যাত্মিক অন্যান্য

---Advertisement---

১০০ দিনের বকেয়া মেটাতে উদ্যোগী শুভেন্দু সরকার, তবে টাকা পেতে পেরোতে হবে তিন দফার যাচাই

Published on: November 2, 2026
---Advertisement---

কলকাতা, ২ নভেম্বরঃ একশো দিনের কাজের বকেয়া মজুরি নিয়ে দীর্ঘদিন ধরেই কেন্দ্রের বিরুদ্ধে সরব ছিলেন তৎকালীন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। খরচের হিসাব ও প্রয়োজনীয় নথি না দেওয়ার অভিযোগ তুলে ওই প্রকল্পে কেন্দ্রীয় বরাদ্দ আটকে রেখেছিল আগের সরকার। রাজ্যে ক্ষমতার পালাবদলের পরে এ বার সেই বকেয়া মেটানোর প্রক্রিয়া শুরু করতে চলেছে শুভেন্দু অধিকারীর সরকার। তবে সরাসরি টাকা দেওয়ার পথে হাঁটছে না নবান্ন। প্রকৃত উপভোক্তা চিহ্নিত করতে এবং আর্থিক অনিয়মের সম্ভাবনা এড়াতে আগে হবে দফায় দফায় তথ্য যাচাই।

পঞ্চায়েত ও গ্রামোন্নয়ন দফতর সূত্রে খবর, গত ২৯ অক্টোবর এই সংক্রান্ত নির্দেশিকা জারি করে সমস্ত জেলাশাসককে প্রয়োজনীয় পদক্ষেপের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। কেন্দ্রীয় গ্রামোন্নয়ন মন্ত্রকের নির্ধারিত গাইডলাইন মেনেই ২০২৪-২৫ অর্থবর্ষ এবং তার আগের বকেয়া হিসাব খতিয়ে দেখা হবে। কেন্দ্রীয় ডেটাবেসে নাম থাকলেই কাউকে স্বয়ংক্রিয় ভাবে পাওনাদার বলে ধরে নেওয়া হবে না। বাস্তবে কতটা কাজ হয়েছে, তার নথি রয়েছে কি না, বরাদ্দের টাকা অন্য কোনও খাতে সরানো হয়েছিল কি না সব দিক খতিয়ে দেখার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।

শুধু কাজের হিসাব নয়, সংশ্লিষ্ট প্রকল্পের প্রশাসনিক ও প্রযুক্তিগত অনুমোদন ছিল কি না, তা-ও যাচাইয়ের আওতায় আসবে। এই কাজের জন্য ব্লক, জেলা ও রাজ্য তিন স্তরে পর্যালোচনার ব্যবস্থা করা হচ্ছে। নবান্নের লক্ষ্য, এক দিকে ভুয়ো সুবিধাভোগীদের চিহ্নিত করা, অন্য দিকে প্রকৃত শ্রমিকদের পাওনার নির্ভুল হিসাব তৈরি করা।

তবে যাচাইয়ের নামে প্রক্রিয়া দীর্ঘায়িত করতে নারাজ রাজ্য সরকার। নির্দেশিকা অনুযায়ী, আগামী ১৫ নভেম্বরের মধ্যে ব্লক স্তরের যাচাই শেষ করতে হবে। ৩০ নভেম্বরের মধ্যে জেলা স্তরের অনুসন্ধান ও রিপোর্ট জমা দেওয়ার সময়সীমা ধার্য হয়েছে। এর পরে ১৫ ডিসেম্বরের মধ্যে রাজ্য স্তরের যাচাই ও ছাড়পত্র দেওয়ার কাজ শেষ করার নির্দেশ রয়েছে। সব শেষে ৩১ ডিসেম্বরের মধ্যে বকেয়ার হিসাব কেন্দ্রীয় গ্রামোন্নয়ন মন্ত্রকে পাঠানোর পরিকল্পনা।

উল্লেখ্য, মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের দাবি ছিল, কেন্দ্র টাকা আটকে রাখায় রাজ্য সরকার নিজস্ব কোষাগার থেকে প্রায় ২৭০০ কোটি টাকা খরচ করে ৩০ লক্ষ জব কার্ডধারীর মজুরি মিটিয়েছে। এবার সেই বকেয়া নিয়ে নতুন করে উদ্যোগী হয়েছে নবান্ন। প্রশাসনিক মহলের নজর, নির্ধারিত সময়ের মধ্যে যাচাই শেষ করে কেন্দ্রের কাছে হিসাব পাঠানো যায় কি না। সব প্রক্রিয়া নির্বিঘ্নে এগোলে আগামী বছরের গোড়ায় প্রাপকদের অ্যাকাউন্টে বকেয়া পৌঁছনোর সম্ভাবনা তৈরি হতে পারে।

Manirul Hoque

Manirul Hoque is working as Sub Editor. Presently he is attached with Khaboriya24 Online News Portal. Manirul is involved in Copy Editing, Uploading in website.

Join WhatsApp

Join Now

Join Telegram

Join Now

Leave a Comment