খবরিয়া ২৪ ডেস্ক, ১৫ ফেব্রুয়ারিঃ রাজ্যের ভোটার তালিকা নিয়ে অনিয়মের অভিযোগ ঘিরে চাপ আরও বাড়ল। Election Commission of India-এর নির্দেশ অমান্য করার অভিযোগে রাজ্যের মুখ্যসচিব নন্দিনী চক্রবর্তীকে শুক্রবার বিকেলেই দিল্লিতে তলব করা হয়। সেখানে গিয়ে তাঁকে একাধিক নির্দেশ না মানার বিষয়ে ব্যাখ্যা দিতে বলা হয়েছে বলে সূত্রের খবর। কমিশন স্পষ্টভাবে জানিয়ে দিয়েছে, পূর্বে দেওয়া নির্দেশ দ্রুত কার্যকর করতে হবে এবং তার রিপোর্ট জমা দিতে হবে।
গত অগস্ট মাসে দক্ষিণ ২৪ পরগনার বারুইপুর পূর্ব এবং পূর্ব মেদিনীপুরের ময়নায় তথাকথিত ‘ভূতুড়ে’ ভোটারের নাম অন্তর্ভুক্তির অভিযোগ ওঠে। সেই ঘটনায় দুই ইলেক্টোরাল রেজিস্ট্রেশন অফিসার (ইআরও) এবং দুই অ্যাসিস্ট্যান্ট ইআরও (এআরও)-কে সাসপেন্ড করার নির্দেশ দেয় কমিশন। পাশাপাশি সংশ্লিষ্ট থানায় এফআইআর দায়ের করার কথাও বলা হয়েছিল। কিন্তু কয়েক মাস কেটে গেলেও মামলা রুজু হয়নি। এবার কমিশন জানিয়ে দিয়েছে, আগামী ১৭ তারিখের মধ্যেই এফআইআর করতে হবে।
এই প্রসঙ্গে নবান্ন আগেই জানিয়েছিল, চার আধিকারিককে সাময়িক বরখাস্ত করা হয়েছে এবং বিভাগীয় তদন্ত শুরু হয়েছে। তবে এফআইআর করতে আরও সময় প্রয়োজন বলে জানানো হয়েছিল। কিন্তু সেই সময়সীমা অতিক্রান্ত হওয়ায় কমিশন এবার নির্দিষ্ট ডেডলাইন বেঁধে দিয়েছে।
কমিশনের চিঠিতে আরও অভিযোগ করা হয়েছে যে, এক এআরও ও বিডিও-র বিরুদ্ধে অভিযোগ থাকা সত্ত্বেও তাঁকে সাসপেন্ড করা হয়নি। তিনজন ইলেক্টোরাল রোল অবজারভারের বদলির সিদ্ধান্ত বাতিল করা হয়নি। এমনকি নিয়ম না মেনে এসডিও/এসডিএম স্তরের আধিকারিকদের ইলেক্টোরাল রেজিস্ট্রেশন অফিসার এবং রিটার্নিং অফিসার হিসেবে নিয়োগ করা হয়েছে বলেও দাবি করা হয়েছে।
কমিশন স্পষ্ট জানিয়েছে, নির্দিষ্ট সময়ের মধ্যে পদক্ষেপ না নিলে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়া হতে পারে। বিষয়টি ঘিরে প্রশাসনিক ও রাজনৈতিক মহলে জোর চর্চা শুরু হয়েছে।





