খবরিয়া ২৪ ডেস্ক, ৫ আগস্টঃ দু’বছর আগে স্বামীকে ছেড়ে প্রেমিকের সঙ্গে নতুন জীবন শুরু করেছিলেন। সেই সম্পর্কেরই মর্মান্তিক পরিণতি? ট্রলিব্যাগের ভিতর থেকে উদ্ধার হল বিহারের নওয়াদা জেলার বাসিন্দা ছোটি কুমারীর দেহ। ঘটনায় চাঞ্চল্য ছড়িয়েছে। অভিযোগের তির এখন তাঁর প্রেমিক ঋষভ কুমারের দিকে। ঘটনার পর থেকেই তিনি পলাতক। তাঁর খোঁজে তল্লাশি শুরু করেছে পুলিশ।
পুলিশ ও পরিবার সূত্রে জানা গিয়েছে, বিয়ের আগেই ঋষভের সঙ্গে সম্পর্ক ছিল ছোটির। বিয়ের পরও সেই সম্পর্ক বজায় ছিল। প্রায় দু’বছর আগে তিনি স্বামীর সংসার ছেড়ে প্রেমিকের সঙ্গে চলে যান। নিখোঁজ হওয়ার পর পরিবারের পক্ষ থেকে অপহরণ ও নিখোঁজ সংক্রান্ত অভিযোগ দায়ের করা হয়েছিল। পরে জানা যায়, দু’জনে দামনে একটি ভাড়াবাড়িতে একসঙ্গে থাকছিলেন। তাঁদের বিয়ে হয়নি, লিভ-ইন সম্পর্কেই ছিলেন বলে দাবি তদন্তকারীদের।
সম্প্রতি পুলিশ খবর পায়, একটি ট্রলিব্যাগের ভিতরে এক তরুণীর দেহ পড়ে রয়েছে। ঘটনাস্থলে পৌঁছে দেহ উদ্ধার করে তদন্ত শুরু হয়। পরে পরিবারের সদস্যরা দেহটি ছোটি কুমারীর বলে শনাক্ত করেন। এরপরই অভিযোগের আঙুল ওঠে ঋষভ কুমারের বিরুদ্ধে।
পরিবারের দাবি, তাঁদের মেয়েকে খুন করে দেহ ট্রলিব্যাগে ভরে ফেলে রেখে পালিয়েছে ঋষভ। সেই অভিযোগের ভিত্তিতে মামলা রুজু করে তদন্ত শুরু করেছে পুলিশ। তবে এখনও পর্যন্ত অভিযুক্তকে গ্রেপ্তার করা সম্ভব হয়নি।
তদন্তকারীদের মতে, খুনের নেপথ্যে কী কারণ ছিল, তা এখনও স্পষ্ট নয়। ব্যক্তিগত সম্পর্কের টানাপোড়েন, আর্থিক বিবাদ নাকি অন্য কোনও কারণ সব দিকই খতিয়ে দেখা হচ্ছে। ফরেনসিক রিপোর্ট এবং অভিযুক্তকে গ্রেপ্তারের পর জেরাতেই ঘটনার প্রকৃত কারণ সামনে আসবে বলে মনে করছে পুলিশ।
একসময় প্রেমের টানে ঘর ছেড়ে যাওয়া তরুণীর জীবন এভাবে ট্রলিব্যাগে শেষ হবে, তা কল্পনাও করেননি তাঁর পরিবারের সদস্যরা। এখন তাঁদের একটাই দাবি দ্রুত অভিযুক্তকে গ্রেপ্তার করে কঠোর শাস্তির ব্যবস্থা করা হোক।





