অলিপুরদুয়ার, ৬ জানুয়ারি : শীতকাল মানেই বেড়ানোর হাতছানি।প্রাকৃতিক পরিবেশে কয়েকদিন নিজের মতো করে কাটানো। সেই আনন্দের টানে ছুটে আসেন পর্যটকরা। এবার পর্যটকদের পছন্দের তালিকায় জায়গা করে নিয়েছে অফবিট মেন্দাবাড়ি।
নতুন বছরের শুরু থেকে পর্যটকদের অন্যতম পছন্দের ‘অফবিট প্লেসে’ পরিণত হয়েছে।অলিপুরদুয়ার জেলার জঙ্গলঘেরা মেন্দাবাড়ি গ্রাম।শহরের কোলাহল থেকে দূরে, নিত্যদিনের ব্যস্ততাকে দূরে সরিয়ে পরিবার ও বন্ধুদের সাথে সময় কাটাতে নতুন বছরের শুরুতে পর্যটকদের ভিড় জমেছে এই জঙ্গল ঘেরা মেন্দাবাড়িতে।এর একদিকে রয়েছে বক্সা ব্যাঘ্র প্রকল্পের জঙ্গল ও অপরদিকে রয়েছে জলদাপাড়া।
ফলে একপ্রকার বন্যপ্রাণীদের অবাধ বিচরণভূমি এই এলাকা।বেশিরভাগ সময় ঘরে বসেই বন্যপ্রাণীর দেখা পান পর্যটকেরা।পাশাপাশি, শহুরে রাস্তার যানবাহনের শব্দের বদলে এই মেন্দাবাড়ি গ্রামজুড়ে শোনা যায় শুধুমাত্র পাখিদের কিচিরমিচির শব্দ।এলাকার পাশ দিয়ে বয়ে চলা ভাণ্ডারী, বানিয়া নদীর পাশে বসে এই শব্দ শুনতে শুনতে অনায়াসে বেশ কিছুটা সময় কেটে যায় বলে দাবি পর্যটকদেরও।
এছাড়া এই পর্যটন স্থল থেকে ঘণ্টা খানেকের দূরত্বেই রয়েছে পড়শী দেশ ভুটান, জয়ন্তী, বক্সার মতো পর্যটন স্থলও। ফলে পর্যটকদের কাছে নতুন ‘অফবিট প্লেসে’ পরিণত হয়েছে এই মেন্দাবাড়ি।এলাকার পর্যটন ব্যবসায়ীদের কথায়, এই এলকাকার বাসিন্দাদের প্রধান জীবিকা ছিল কৃষকাজ।তবে লাগাতার বন্যপ্রাণীর তান্ডবে বন্ধ করতে হয়ে কৃষিকাজ, এরপর বিকল্প আয়ের পথ হিসেবে পর্যটন ব্যবসাকে বেছে নেন জেলার এই মেন্দাবাড়ি এলাকার অধিকাংশ বাসিন্দারা।
এরপর এলাকায় তৈরি হয় একেরপর এক হোমস্টে, কটেজ। ধীরে ধীরে পর্যটকদের আনা গোনা শুরু হওয়ায়, বর্তমানে একটি পর্যটনস্থলে পরিণত হয়েছে মেন্দাবাড়ির অধিকাংশ এলাকাপাশাপাশি, কৃষিকাজের বদলে এই পর্যটন ব্যবসাকে প্রধান জীবিকা হিসেবে গ্রহণ করেছেন মেন্দাবাড়ির বাসিন্দাদের একাংশ। বর্তমানে এই এলাকাকে পর্যটন মানচিত্রে তুলে ধরার চেষ্টা চালাচ্ছেন বাসিন্দারাও।





