শিলিগুড়ি, ৫ মার্চ: নেপালের সাধারণ নির্বাচনকে কেন্দ্র করে কড়া নিরাপত্তা জারি করা হয়েছে ভারত-নেপাল সীমান্তে। নির্বাচনের স্বচ্ছতা ও নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে দার্জিলিং জেলার পানিট্যাংকি সীমান্ত এলাকা সম্পূর্ণভাবে সিল করে দেওয়া হয়েছে। সীমান্তে বাড়ানো হয়েছে নজরদারি। একদিকে যেমন সীমান্তরক্ষী বাহিনী এসএসবি টহল দিচ্ছে, অন্যদিকে রাজ্য পুলিশও কড়া নজরদারি চালাচ্ছে গোটা এলাকায়।
প্রশাসন সূত্রে জানা গেছে, নেপালের স্বরাষ্ট্র মন্ত্রকের নির্দেশ অনুযায়ী ৩ মার্চ থেকে ৫ মার্চ রাত ১২টা পর্যন্ত ভারত-নেপাল সীমান্ত সিল রাখা হয়েছে। এই সময়ের মধ্যে সীমান্ত দিয়ে কোনও ধরনের আমদানি-রপ্তানি বা সাধারণ যাতায়াতের অনুমতি নেই। তবে জরুরি পরিষেবা এবং বিশেষ প্রয়োজনের ক্ষেত্রে কিছুটা ছাড় রাখা হয়েছে বলে জানা গেছে।
উত্তরবঙ্গের পানিট্যাংকি সীমান্ত সহ ভারত-নেপাল সংলগ্ন বিভিন্ন এলাকায় নিরাপত্তা জোরদার করা হয়েছে। সীমান্তের প্রতিটি প্রবেশপথে বাড়ানো হয়েছে চেকিং। সন্দেহজনক গতিবিধির উপর নজর রাখতে নিয়মিত টহল দিচ্ছে নিরাপত্তা বাহিনী। নির্বাচনের সময় যাতে কোনওরকম অবাঞ্ছিত ঘটনা না ঘটে এবং ভোটগ্রহণ শান্তিপূর্ণভাবে সম্পন্ন হয়, সেই লক্ষ্যেই এই পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে।
তবে সীমান্ত সিল থাকার কারণে সমস্যায় পড়েছেন স্থানীয় ব্যবসায়ীরা। পানিট্যাংকি সীমান্ত এলাকার অনেক ব্যবসাই মূলত নেপালের ক্রেতাদের উপর নির্ভরশীল। সীমান্ত বন্ধ থাকায় কয়েকদিন ধরেই ব্যবসায় ক্ষতির মুখে পড়তে হচ্ছে বলে জানিয়েছেন ব্যবসায়ীরা। তাঁদের দাবি, নির্বাচন শান্তিপূর্ণভাবে হওয়া জরুরি হলেও সীমান্ত বন্ধ থাকায় ব্যবসায়িক লেনদেন সম্পূর্ণ বন্ধ হয়ে গেছে।
উল্লেখ্য, গত বছর সেপ্টেম্বর মাসে নেপালে রক্তক্ষয়ী ছাত্র আন্দোলন এবং রাজনৈতিক অস্থিরতার পর বর্তমান পরিস্থিতিতে এই নির্বাচনকে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ বলে মনে করা হচ্ছে। এদিন সকাল ৭টা থেকে ভোটগ্রহণ শুরু হয়েছে, যা চলবে বিকেল ৫টা পর্যন্ত। নির্বাচনকে কেন্দ্র করে নেপালজুড়ে কড়া নিরাপত্তা ব্যবস্থা গ্রহণ করা হয়েছে।





