খবরিয়া ২৪ ডেস্ক, ২৭ জুলাইঃ রুপোলি পর্দা থেকে রাজনীতির ময়দানে দক্ষিণী তারকাদের পা রাখার নজির নতুন নয়। সেই তালিকায় কি এবার যুক্ত হতে চলেছে আরও এক নাম? অভিনেতা-পরিচালক ধনুষের সাম্প্রতিক মন্তব্য ঘিরে তেমনই জল্পনা তুঙ্গে। রবিবার এক রক্তদান শিবিরে তাঁর বক্তব্য সামনে আসতেই সমাজমাধ্যমে শুরু হয়েছে জোর চর্চা। অনুরাগীদের একাংশের প্রশ্ন, তবে কি রাজনৈতিক ইনিংস শুরুর প্রস্তুতি নিচ্ছেন ধনুষ?
রবিবারের অনুষ্ঠানে ধনুষ বলেন, “অনেক মানুষ এক জায়গায় একত্র হয়েছেন। এই ঐক্যের বিরাট শক্তি রয়েছে। আমরা চাই, সেই শক্তিকে সমাজের কাজে ব্যবহার করতে। শুধু দেখা করা বা অনুষ্ঠানে অংশ নেওয়াই নয়, নিজেদের এলাকার মানুষের প্রয়োজন বোঝার চেষ্টা করুন। যার যতটুকু সামর্থ্য, সেই অনুযায়ী সাহায্যের হাত বাড়িয়ে দিন। তোমাদের কাজ দেখে আমি গর্বিত হতে চাই। আমার বিশ্বাস, তোমরা সেটা পারবে।”
অভিনেতার এই বক্তব্য প্রকাশ্যে আসার পর থেকেই নানা ব্যাখ্যা শুরু হয়েছে। অনেকের মতে, সামাজিক কাজের আহ্বানের আড়ালে রাজনৈতিক বার্তাই দিতে চেয়েছেন ধনুষ। দক্ষিণের রাজনীতিতে সিনেমা জগতের জনপ্রিয় মুখদের প্রভাবের কথা উল্লেখ করে কেউ কেউ বলছেন, থলপতি বিজয়ের রাজনৈতিক পদক্ষেপের পর ধনুষও হয়তো সেই পথেই হাঁটার কথা ভাবছেন।
অন্যদিকে, অনুরাগীদের একাংশ আবার অভিনেতার সম্ভাব্য রাজনৈতিক অভিষেককে স্বাগত জানিয়েছেন। তাঁদের বক্তব্য, জনজীবনের সঙ্গে যুক্ত, শিক্ষিত ও জনপ্রিয় ব্যক্তিত্বরা রাজনীতিতে এলে গণতন্ত্রের পক্ষে তা ইতিবাচক হতে পারে। আবার সমালোচকদের একাংশের কটাক্ষ, দক্ষিণী চলচ্চিত্র জগত থেকে রাজনীতিতে আসার প্রবণতা যেন ক্রমেই বাড়ছে।
তবে এই সমস্ত জল্পনার মধ্যেও ধনুষ নিজে এখনও পর্যন্ত রাজনীতিতে যোগ দেওয়া বা নতুন দল গঠনের সম্ভাবনা নিয়ে কোনও মন্তব্য করেননি। ফলে তাঁর বক্তব্য নিছক সামাজিক দায়বদ্ধতার বার্তা, নাকি রাজনৈতিক ভবিষ্যতের ইঙ্গিত সেই উত্তর আপাতত সময়ের হাতেই।





