আবহাওয়া আইপিএল-2025 টাকা পয়সা পশ্চিমবঙ্গ ভারত ব্যবসা চাকরি রাশিফল স্বাস্থ্য প্রযুক্তি লাইফস্টাইল শেয়ার বাজার মিউচুয়াল ফান্ড আধ্যাত্মিক অন্যান্য

---Advertisement---

শরিকি বিবাদের জেরে আইনি নির্দেশ, সুভাষপল্লীতে ভাঙল ১৯৬৪ সালের বাড়ির একাংশ

Published on: October 3, 2026
---Advertisement---

শিলিগুড়ি, ৩ অক্টোবরঃ জমি ভাগাভাগি নিয়ে দীর্ঘদিনের শরিকি বিবাদ। সেই বিবাদ গড়িয়েছিল আদালত পর্যন্ত। শেষ পর্যন্ত হাইকোর্টের নির্দেশ মেনে শিলিগুড়ির সুভাষপল্লীতে ভেঙে ফেলা হল ১৯৬৪ সালে তৈরি একটি পুরনো বাড়ির একাংশ। শনিবার শিলিগুড়ি পুরনিগমের ৩০ নম্বর ওয়ার্ডে এই পদক্ষেপকে ঘিরে এলাকায় চাঞ্চল্য ছড়ায়। বহু বছরের পুরনো বাড়ির একাংশ ভেঙে যাওয়ায় হতাশ বাড়ির মালিক। তাঁর দাবি, আরও কিছুটা সময় পেলে হয়তো পরিস্থিতি সামাল দেওয়ার সুযোগ থাকত।

স্থানীয় সূত্রে জানা গিয়েছে, সুভাষপল্লীর ওই বাড়ির একটি অংশকে কেন্দ্র করে দীর্ঘদিন ধরে শরিকদের মধ্যে বিবাদ চলছিল। জমি ভাগাভাগির সময় জমির পরিমাণ নির্ধারণে গাফিলতি হয়েছিল বলে দাবি বাড়ির মালিকের। সেই বিষয় থেকেই বিবাদের সূত্রপাত। পরবর্তীতে বিরোধ আদালতে গড়ায়। আইনি প্রক্রিয়া শেষে হাইকোর্টের নির্দেশের ভিত্তিতে সংশ্লিষ্ট অংশ খালি করার জন্য বাড়ির মালিককে নোটিশ দেওয়া হয়।

জানা গিয়েছে, আদালতের নির্দেশ অনুযায়ী বাড়ি খালি করার জন্য এক মাসের সময়সীমা নির্ধারণ করা হয়েছিল। নির্ধারিত সময়ের মধ্যে সংশ্লিষ্ট অংশ খালি না হওয়ায় শনিবার পদক্ষেপ করে শিলিগুড়ি পুরনিগম। পুরনিগমের কর্মীরা ঘটনাস্থলে পৌঁছে বাড়িটির যে অংশ অবৈধ বলে চিহ্নিত করা হয়েছিল, তা ভেঙে দেন। হাইকোর্টের নির্দেশ ও নির্ধারিত সময়সীমা মেনেই এই পদক্ষেপ করা হয়েছে বলে জানা গিয়েছে।

অন্য দিকে, বাড়ির মালিকের বক্তব্য, বহু বছর আগে জমি ভাগাভাগির সময় কিছু ভুলের কারণেই এই আইনি জটিলতা তৈরি হয়েছিল। আদালতের নির্দেশকে সম্মান করলেও তাঁকে আরও কিছুটা সময় দেওয়া হলে পরিস্থিতি অন্য রকম হতে পারত বলে মনে করেন তিনি। বাড়ির একাংশ ভাঙার সময় তাঁকে হতাশ দেখায়। তবে এ নিয়ে বিস্তারিত মন্তব্য করতে চাননি তিনি।

পুরনো বাড়ির একাংশ ভেঙে দেওয়ার ঘটনায় ফের সামনে এসেছে শরিকি বিবাদ থেকে তৈরি হওয়া দীর্ঘ আইনি জটিলতার প্রসঙ্গ। জমির সীমানা নির্ধারণ কিংবা ভাগাভাগি নিয়ে বিরোধ সময়মতো মিটিয়ে না নিলে তার পরিণতি কতটা জটিল হতে পারে, সুভাষপল্লীর এই ঘটনা যেন সেই ছবিই তুলে ধরল। তবে বাড়ির মালিকের বক্তব্য এবং মামলার সম্পূর্ণ নথি স্বাধীন ভাবে যাচাই করা সম্ভব হয়নি।

Manirul Hoque

Manirul Hoque is working as Sub Editor. Presently he is attached with Khaboriya24 Online News Portal. Manirul is involved in Copy Editing, Uploading in website.

Join WhatsApp

Join Now

Join Telegram

Join Now

Leave a Comment