শিলিগুড়ি, ৬ নভেম্বর: গাড়ি আটকানোকে কেন্দ্র করে শুরু বিতর্ক। তার পরেই চালকের কাছে টাকা চাওয়ার অভিযোগ। প্রতিবাদে গাড়ি রাস্তার উপর দাঁড় করিয়ে অবরোধ শুরু করলেন চালক। পরিস্থিতি ক্রমশ উত্তপ্ত হয়ে ওঠায় শেষ পর্যন্ত ঘটনাস্থল ছেড়ে চলে যাওয়ার অভিযোগ উঠল পরিবহণ দফতরের আধিকারিকদের বিরুদ্ধে। এই ঘটনাকে কেন্দ্র করে বৃহস্পতিবার চাঞ্চল্য ছড়াল শিলিগুড়ি সংলগ্ন মাটিগাড়ার রাধুরাই এলাকায়।
স্থানীয় সূত্রে জানা গিয়েছে, এদিন রাধুরাই এলাকায় একটি গাড়ি আটকান পরিবহণ দফতরের আধিকারিকরা। কী কারণে গাড়িটি আটকানো হয়েছিল, তা নিয়ে অবশ্য এখনও স্পষ্ট কোনও তথ্য সামনে আসেনি। তবে চালকের অভিযোগ, গাড়ি সংক্রান্ত বিষয় নিয়ে কথা বলার সময় তাঁর কাছে টাকা দাবি করেন দফতরের আধিকারিকরা। সেই দাবি ঘিরেই বচসার সূত্রপাত।
অভিযোগ, টাকা চাওয়ার প্রতিবাদ জানিয়ে গাড়ি নিয়ে রাস্তার উপরেই দাঁড়িয়ে পড়েন ওই চালক। শুরু করেন অবরোধ। আচমকা এই অবরোধের জেরে সংশ্লিষ্ট রাস্তায় যান চলাচল ব্যাহত হয়। দু’পাশে যানবাহনের চাপ তৈরি হতে শুরু করে। স্থানীয় বাসিন্দা ও পথচারীদের মধ্যেও বিষয়টি নিয়ে কৌতূহল ছড়ায়। কিছুক্ষণের মধ্যেই ঘটনাস্থলে ভিড় জমে যায়।
অন্যদিকে, পরিস্থিতি উত্তপ্ত হয়ে উঠতে থাকায় অস্বস্তিতে পড়েন পরিবহণ দফতরের আধিকারিকরা। চালকের সঙ্গে তাঁদের বচসা ঘিরে পরিস্থিতি আরও জটিল হয়ে ওঠে বলে অভিযোগ। শেষ পর্যন্ত পরিস্থিতি বেগতিক বুঝে আধিকারিকরা ঘটনাস্থল ছেড়ে চলে যান বলে দাবি স্থানীয়দের।
তবে এই ঘটনায় একাধিক প্রশ্ন উঠতে শুরু করেছে। গাড়িটি কী কারণে আটকানো হয়েছিল? চালকের কাছে সত্যিই কোনও বেআইনি অর্থ দাবি করা হয়েছিল, নাকি গাড়ির নথিপত্র সংক্রান্ত কোনও বিষয় নিয়ে বিবাদ তৈরি হয়েছিল? পরিবহণ দফতরের আধিকারিকদের বক্তব্যও এখনও সামনে আসেনি। ফলে অভিযোগের সত্যতা নিয়ে ধোঁয়াশা রয়েছে।
সরকারি দফতরের আধিকারিকদের বিরুদ্ধে এমন অভিযোগ ওঠায় স্বাভাবিকভাবেই এলাকায় চর্চা শুরু হয়েছে। যদিও গোটা ঘটনার নিরপেক্ষ তদন্ত না হওয়া পর্যন্ত অভিযোগ সম্পর্কে নিশ্চিত হওয়া সম্ভব নয়। আপাতত রাধুরাইয়ের এই ঘটনাকে ঘিরে পরিবহণ দফতরের ভূমিকা নিয়েই প্রশ্ন উঠছে।





