কলকাতা, ২৫ এপ্রিলঃ বিধানসভা নির্বাচনের মাঝেই যাদবপুর বিশ্ববিদ্যালয় ইস্যুতে রাজ্য রাজনীতি উত্তপ্ত হয়ে উঠেছে। প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী-র মন্তব্যের পর এবার একই সুরে সরব হলেন বিজেপি নেতা দিলীপ ঘোষ। শনিবার সকালে ইকো পার্কে দাঁড়িয়ে তিনি যাদবপুর বিশ্ববিদ্যালয়কে ‘দেশবিরোধী কার্যকলাপের আখড়া’ বলে কটাক্ষ করেন।
দিলীপ ঘোষের অভিযোগ, “যাদবপুর একসময় ভালো ছাত্রদের পড়াশোনার জায়গা ছিল, কিন্তু এখন সেখানে অসভ্য বানানোর ফ্যাক্টরি চলছে।” তিনি আরও বলেন, “বাবুল সুপ্রিয় বা রাজ্যপালের সঙ্গে যে ব্যবহার হয়েছে, তা সবাই দেখেছে। আমরা সেখানে সার্জিক্যাল স্ট্রাইকও করেছিলাম।” তাঁর এই মন্তব্য ঘিরে রাজনৈতিক মহলে তীব্র প্রতিক্রিয়া তৈরি হয়েছে।
এই বিতর্কের সূত্রপাত শুক্রবার, যখন বারুইপুরের জনসভা থেকে নরেন্দ্র মোদী-র যাদবপুর বিশ্ববিদ্যালয়ের বর্তমান পরিস্থিতি নিয়ে প্রশ্ন তোলেন। তিনি দাবি করেন, একসময় জাতীয়তাবাদের কেন্দ্র ছিল এই বিশ্ববিদ্যালয়, কিন্তু এখন সেখানে অরাজকতা এবং দেশবিরোধী কার্যকলাপ বাড়ছে।
এর পালটা জবাব দেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা ব্যানার্জি। হাওড়ার সভা থেকে তিনি বলেন, “যাদবপুর বিশ্ববিদ্যালয় আমাদের গর্ব। ছাত্র-যুবকদের প্রতিবাদ করার অধিকার রয়েছে।” সোশ্যাল মিডিয়াতেও এই বিষয়ে কেন্দ্রকে কড়া আক্রমণ করেন তিনি।
সব মিলিয়ে, যাদবপুর বিশ্ববিদ্যালয়কে কেন্দ্র করে রাজনৈতিক তরজা তুঙ্গে উঠেছে নির্বাচনের আবহে, যা ভোটের সমীকরণেও প্রভাব ফেলতে পারে বলে মনে করছেন বিশ্লেষকরা।





