কোচবিহার, ৩০ অক্টোবরঃ শহরের পরিচিত মোড়, আর তার অন্যতম আকর্ষণ ঘড়িঘর। সময়ের সাক্ষী হয়ে দাঁড়িয়ে থাকা সেই ঘড়িঘরই এবার নতুন রূপে ফিরতে চলেছে। কোচবিহার শহরের হরিশপাল চৌপথিতে থাকা পুরনো ঘড়িঘরটি ভেঙে ফেলা হয়েছে। উত্তরবঙ্গ উন্নয়ন দপ্তরের উদ্যোগে ওই চত্বরকে নতুন করে সাজিয়ে তোলার পরিকল্পনা নেওয়া হয়েছে। শহর সৌন্দর্যায়নের এই উদ্যোগকে স্বাগত জানিয়েছেন কোচবিহারের ব্যবসায়ী মহল।
ব্যবসায়ীদের মতে, কোচবিহার শুধু একটি জেলা শহর নয়, তার রয়েছে নিজস্ব ঐতিহ্য ও পর্যটন আকর্ষণ। শহরের গুরুত্বপূর্ণ মোড়গুলিকে পরিকল্পিত ভাবে সাজিয়ে তুলতে পারলে শহরের সামগ্রিক চেহারাই বদলে যাবে। হরিশপাল চৌপথির ঘড়িঘর নতুন করে নির্মিত হলে ওই এলাকা আরও আকর্ষণীয় হয়ে উঠবে বলে তাঁদের আশা।
শহরের সৌন্দর্যায়নের সঙ্গে পর্যটনের সম্পর্কও দেখছেন ব্যবসায়ীরা। তাঁদের বক্তব্য, কোচবিহারের ঐতিহাসিক স্থাপত্য, রাজবাড়ি, মদনমোহন মন্দির-সহ বিভিন্ন দর্শনীয় স্থান দেখতে প্রতি বছরই পর্যটকেরা আসেন। শহরের গুরুত্বপূর্ণ এলাকাগুলি নতুন করে সাজিয়ে তোলা হলে পর্যটকদের কাছে কোচবিহারের আকর্ষণ আরও বাড়বে। বাইরের জেলা ও রাজ্য থেকে মানুষের আনাগোনা বাড়লে স্থানীয় ব্যবসা-বাণিজ্যেও তার ইতিবাচক প্রভাব পড়তে পারে।
বিশেষত হোটেল, রেস্তরাঁ, পরিবহণ এবং ছোট দোকানগুলির ব্যবসা পর্যটকদের উপর অনেকটাই নির্ভরশীল। তাই শহরের সৌন্দর্য বৃদ্ধি মানে শুধু নাগরিক পরিকাঠামোর উন্নয়ন নয়, স্থানীয় অর্থনীতির বিকাশেরও সম্ভাবনা এমনটাই মনে করছেন ব্যবসায়ী মহলের একাংশ।
তাঁদের আশা, পুরনো ঘড়িঘরের জায়গায় নতুন নির্মাণ শুধু একটি স্থাপত্যের পুনর্নির্মাণে সীমাবদ্ধ থাকবে না, বরং হরিশপাল চৌপথিকে শহরের অন্যতম আকর্ষণীয় চত্বর হিসেবে গড়ে তুলবে। তবে নতুন ঘড়িঘরের নকশা ও নির্মাণের কাজ কবে শেষ হবে, সে দিকেই এখন তাকিয়ে শহরবাসী।





