কলকাতা, ২৩ সেপ্টেম্বরঃ ভোটের দিন যত এগোচ্ছে, নন্দীগ্রামের কংগ্রেস প্রার্থী মিলন প্রধানকে ঘিরে আইনি টানাপড়েনও ততই বাড়ছে। জেল হেফাজত থেকে এ বার জামিন চেয়ে কলকাতা হাই কোর্টের দ্বারস্থ হলেন তিনি। বুধবার তাঁর আইনজীবী মিলন মুখোপাধ্যায় আদালতের দৃষ্টি আকর্ষণ করে দ্রুত শুনানির আর্জি জানান। বিচারপতি তীর্থঙ্কর ঘোষ মামলা দায়েরের অনুমতি দিয়েছেন। চলতি সপ্তাহেই শুনানি হতে পারে বলে জানা গিয়েছে।
২০০৭ সালের নন্দীগ্রাম আন্দোলন পর্বের পুরনো মামলায় গ্রেফতার হওয়ার পর থেকেই জেল হেফাজতে রয়েছেন মিলন। তাঁর বিরুদ্ধে থাকা মামলাগুলির মধ্যে যেগুলিতে তিনি বর্তমানে হেফাজতে রয়েছেন, সেগুলিতে পৃথক ভাবে জামিনের আবেদন করার কথা আগেই জানিয়েছিলেন তাঁর আইনজীবীরা। সেই প্রক্রিয়ারই পরবর্তী ধাপ হিসেবে এ বার হাই কোর্টে জামিনের আবেদন।
মিলনের আইনজীবীর বক্তব্য, তিনি নন্দীগ্রাম উপনির্বাচনের প্রার্থী। আগামী ৬ অক্টোবর ভোট। ফলে ভোটের দিন যত এগিয়ে আসছে, ততই গুরুত্বপূর্ণ হয়ে উঠছে জামিনের আবেদনটির দ্রুত শুনানি। মামলা দায়েরের পর শুনানির জন্য যে সময় প্রয়োজন, সেই বিষয়টি মাথায় রেখেই আদালতের কাছে দ্রুত শুনানির আবেদন জানানো হয়েছে।
এর আগে মিলনের বিরুদ্ধে থাকা আরও কয়েকটি মামলায় রক্ষাকবচ চেয়ে হাই কোর্টের দ্বারস্থ হয়েছিল তাঁর আইনজীবী পক্ষ। মঙ্গলবারের শুনানিতে রাজ্য জানিয়েছিল, পাঁচটি মামলায় আপাতত তাঁর বিরুদ্ধে কোনও কড়া পদক্ষেপ করা হবে না। তবে যে মামলাগুলিতে তিনি জেল হেফাজতে রয়েছেন, সেগুলিতে জামিনের আবেদন আলাদা ভাবে করতে হবে। এই পরিস্থিতিতে নজর এখন জামিনের আবেদনের শুনানির দিকে। কারণ নন্দীগ্রামে ভোট ৬ অক্টোবর এবং গণনা ৯ অক্টোবর। অর্থাৎ ভোটের আগে হাতে রয়েছে অল্প সময়ই। জেলবন্দি অবস্থায় প্রার্থীর আইনি লড়াই কোথায় গিয়ে দাঁড়ায়, আপাতত সেদিকেই নজর রাজনৈতিক মহলের।





