খবরিয়া ২৪ ডেস্ক, ১২ জানুয়ারিঃ নকশালবাড়ি থেকে আসামে মহিষ পাচারের আগেই বড়সড় সাফল্য পেল এসএসবি ও পুলিশ। গোপন সূত্রে খবর পেয়ে শিলিগুড়ি মহকুমা পরিষদের অন্তর্গত নকশালবাড়ি ব্লকের সাত ভাইয়া টোল প্লাজা সংলগ্ন এলাকায় অভিযান চালায় এসএসবি-র ৪১ নম্বর ব্যাটেলিয়ানের জওয়ানরা। অভিযানের সময় একটি আসন নম্বরের গাড়িকে দাঁড়ানোর নির্দেশ দেওয়া হলে চালক তা অমান্য করে টোল প্লাজা ভেঙে পালানোর চেষ্টা করে।
এরপরই এসএসবি জওয়ানরা গাড়িটিকে ধাওয়া করেন। পালানোর সময় পাচারকারীরা উদ্দেশ্যপ্রণোদিতভাবে এসএসবি-র গাড়িতে সজোরে ধাক্কা মারে বলে অভিযোগ। এর ফলে এসএসবি-র গাড়িটি দুমড়ে-মুচড়ে যায় এবং দুই জন কনস্টেবল গুরুতরভাবে আহত হন। পরে নকশালবাড়ি থানার পুলিশ ও এসএসবি যৌথভাবে ধাওয়া করে ওই গাড়িটিকে আটক করতে সক্ষম হয়।
এই ঘটনায় তিন জন পাচারকারীকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। ধৃতদের নাম নজরুল ইসলাম, মহম্মদ মনোজম এবং বিমান ঘোষ। পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, নজরুল ইসলাম আসামের বাসিন্দা এবং মনোজম ও বিমান ঘোষ নকশালবাড়ির বাসিন্দা। আটক করা গাড়ি থেকে মোট ১৯টি মহিষ উদ্ধার করা হয়েছে, যা পাচারের উদ্দেশ্যে নিয়ে যাওয়া হচ্ছিল বলে তদন্তকারীদের প্রাথমিক অনুমান। উদ্ধার হওয়া মহিষগুলি পুলিশের হাতে তুলে দিয়েছে এসএসবি।
নকশালবাড়ি থানার পুলিশ জানিয়েছে, এই মহিষগুলি নকশালবাড়ি এলাকা থেকে আসামে পাচারের ছক কষা হয়েছিল। তবে এই পাচারচক্রের সঙ্গে আরও কেউ জড়িত রয়েছে কি না, তা খতিয়ে দেখা হচ্ছে। গোটা ঘটনার তদন্তে নেমেছে নকশালবাড়ি থানার পুলিশ ও এসএসবি।
আহত দুই এসএসবি কনস্টেবলের চিকিৎসা চলছে। সোমবার ধৃত তিন জনকে শিলিগুড়ি মহকুমা আদালতে তোলা হবে। এই ঘটনাকে কেন্দ্র করে সীমান্তবর্তী এলাকায় পশু পাচার রুখতে নজরদারি আরও জোরদার করা হয়েছে বলে প্রশাসন সূত্রে জানা গেছে।





