কোচবিহার, ১৪ সেপ্টেম্বরঃ গণেশ চতুর্থীর পুণ্য তিথি। চারদিকে উৎসবের আবহ। সেই শুভক্ষণেই দুর্গাপুজোর খুঁটি পুজোর মধ্য দিয়ে শারদোৎসবের প্রস্তুতিতে হাত দিল মন্টু দাস গুপ্তপল্লী ক্লাব ও ব্যায়ামাগার। খুঁটি পুজোর আনুষ্ঠানিকতা ঘিরে সোমবার থেকেই যেন পুজোর আগমনী সুর আরও স্পষ্ট হয়ে উঠল এলাকায়।
গণেশ চতুর্থীর শুভদিনকে বেছে নিয়েই দুর্গাপুজোর সূচনা পর্বের আয়োজন করেন ক্লাবের উদ্যোক্তারা। নিয়ম মেনে খুঁটি পুজোর মধ্য দিয়ে শুরু হয় আগামী শারদোৎসবের প্রস্তুতি। অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন বিশিষ্ট সমাজসেবী বিরাজ বোস, প্রাক্তন বিধায়ক নিখিল রঞ্জন দে-সহ ক্লাবের সদস্য, পুজো উদ্যোক্তা এবং এলাকার বিশিষ্ট ব্যক্তিরা।
খুঁটি পুজোকে ঘিরে এ দিন ক্লাব চত্বরে ছিল উৎসবের আবহ। পুজোর আনুষ্ঠানিক সূচনা হতেই স্থানীয় বাসিন্দাদের মধ্যেও শুরু হয়েছে দুর্গোৎসবকে ঘিরে নানা প্রত্যাশা। পুজোর কয়েক সপ্তাহ আগে থেকেই মণ্ডপ, আলোকসজ্জা, প্রতিমা এবং সাংস্কৃতিক আয়োজন নিয়ে প্রস্তুতি শুরু হয়ে যায়। খুঁটি পুজো সেই প্রস্তুতিরই প্রথম আনুষ্ঠানিক ধাপ।
শারদোৎসব শুধু ধর্মীয় আচার নয়, এলাকার মানুষের মিলন ও সামাজিক যোগাযোগেরও অন্যতম উপলক্ষ। পুজোর কয়েকটি দিনকে ঘিরে ছোট-বড় নানা আয়োজনের মধ্য দিয়ে তৈরি হয় অন্য রকমের আবহ। সেই আবহেরই সূচনা হল গুপ্তপল্লিতে।
উদ্যোক্তাদের আশা, এ বারও পুজোকে কেন্দ্র করে এলাকার মানুষ একসঙ্গে উৎসবে সামিল হবেন। আনন্দ, সম্প্রীতি এবং মিলনের বার্তা নিয়ে দেবী দুর্গার আগমন ঘটুক এই প্রত্যাশাই এখন ক্লাবের সদস্য ও স্থানীয় বাসিন্দাদের।
গণেশ চতুর্থীর শুভক্ষণে খুঁটি পুজোর পর শুরু হয়ে গেল অপেক্ষা। ঢাকে কাঠি পড়ার এখনও কিছুটা দেরি। কিন্তু গুপ্তপল্লির আকাশে ইতিমধ্যেই যেন ভেসে এসেছে সেই চেনা বার্তা পুজো আসছে।





