আবহাওয়া আইপিএল-2025 টাকা পয়সা পশ্চিমবঙ্গ ভারত ব্যবসা চাকরি রাশিফল স্বাস্থ্য প্রযুক্তি লাইফস্টাইল শেয়ার বাজার মিউচুয়াল ফান্ড আধ্যাত্মিক অন্যান্য

---Advertisement---

কলসেন্টারের আড়ালে আন্তর্জাতিক প্রতারণা চক্র, কলকাতায় গ্রেপ্তার মূল পাণ্ডা সৈকত

Published on: September 14, 2026
---Advertisement---

মাটিগাড়া, ১৪ সেপ্টেম্বরঃ  অফিস ছিল শিলিগুড়িতে, কিন্তু প্রতারণার ‘রিমোট কন্ট্রোল’ নাকি কলকাতায়! কলসেন্টারের আড়ালে বিদেশি নাগরিকদের লক্ষ্য করে আন্তর্জাতিক আর্থিক প্রতারণা চক্র চালানোর অভিযোগে এ বার গ্রেফতার হলেন কথিত মূল পাণ্ডা। মাটিগাড়া থানার পুলিশের বিশেষ দল কলকাতার সোদপুরের একটি ভাড়া বাড়ি থেকে সৈকত সিনহা রায় নামে ওই ব্যক্তিকে গ্রেফতার করে শিলিগুড়িতে নিয়ে এসেছে। সোমবার সকালে তাঁকে শিলিগুড়ি মহকুমা আদালতে তোলা হয়।

পুলিশ সূত্রে জানা গিয়েছে, সম্প্রতি শিলিগুড়ি মেট্রোপলিটন পুলিশের অভিযানে ওয়েবেল আইটি পার্কের ফেজ-১, ফেজ-২ এবং লিচুবাগানের ফেজ-৩ এলাকায় একটি ভুয়ো কলসেন্টারের হদিস মেলে। সেখান থেকে দু’দফায় মোট ন’জনকে গ্রেফতার করা হয়। দু’টি অফিসেও তালা ঝোলানো হয়। ধৃতদের মধ্যে পাঁচ জন লিচুবাগানের কলসেন্টারে কাজ করতেন বলে পুলিশ জানিয়েছে।

তদন্তকারীদের দাবি, জেরায় ওই কর্মীদের কাছ থেকেই সৈকতের নাম উঠে আসে। নিজেকে সংস্থার ‘ডিরেক্টর’ পরিচয় দিয়ে তিনি কলকাতা থেকে গোটা ব্যবস্থাটি নিয়ন্ত্রণ করতেন বলে অভিযোগ। বিদেশি নাগরিকদের ফোন করে বিভিন্ন কৌশলে তাঁদের কাছ থেকে লক্ষ লক্ষ টাকা হাতিয়ে নেওয়া হত বলেও পুলিশের দাবি।

তদন্তকারীদের আরও দাবি, সোদপুরে বসেই কলসেন্টারের জন্য প্রয়োজনীয় ‘রসদ’ ও নির্দেশ পৌঁছে দিতেন সৈকত। মাঝে মাঝে শিলিগুড়িতে এসে লিচুবাগানের আইটি পার্কের ‘জি-১৪’ নম্বর ঘরে কর্মীদের বিশেষ ‘স্পিচ’ বা কথোপকথনের কৌশলও শেখাতেন বলে অভিযোগ।

পুলিশের নজর এড়াতে নির্দিষ্ট সময় অন্তর অফিসের পাশাপাশি নিজের থাকার ঠিকানাও বদলাতেন সৈকত তদন্তে এমন তথ্য উঠে এসেছে বলে পুলিশ সূত্রে খবর। প্রথম দফায় ধৃত ন’জনের মধ্যে সাত জন জামিন পেলেও দু’জনকে পাঁচ দিনের পুলিশি হেফাজতে নিয়ে জিজ্ঞাসাবাদ করা হয়। তাঁদের কাছ থেকেই সৈকতের ঠিকানা ও কথিত কাজের পদ্ধতি সম্পর্কে গুরুত্বপূর্ণ তথ্য মেলে বলে তদন্তকারীদের দাবি।

কলসেন্টারের অফিস বন্ধ হলেও কথিত মূল মাথা ধরাছোঁয়ার বাইরে থাকায় পুলিশের ভূমিকা নিয়ে প্রশ্ন উঠেছিল। সোদপুর থেকে সৈকতকে গ্রেফতার সেই তদন্তেই গুরুত্বপূর্ণ অগ্রগতি বলে মনে করছে পুলিশ।

এ বার নজর, এই প্রতারণার জাল কত দূর বিস্তৃত। চক্রে আরও কারা জড়িত এবং বিদেশে বসে প্রতারণার সঙ্গে কারও যোগ রয়েছে কি না, তা খতিয়ে দেখতে সৈকতকে ১০ দিনের পুলিশি হেফাজতে নেওয়ার আবেদন জানানো হয়েছে।

Manirul Hoque

Manirul Hoque is working as Sub Editor. Presently he is attached with Khaboriya24 Online News Portal. Manirul is involved in Copy Editing, Uploading in website.

Join WhatsApp

Join Now

Join Telegram

Join Now

Leave a Comment