কলকাতা, ৪ সেপ্টেম্বরঃ অফিস চলছে। কর্মীদের যাতায়াতও রয়েছে। তার মধ্যেই দমকলের নোটিস অবিলম্বে খালি করতে হবে বহুতলের তিনটি তলা। কারণ, অগ্নিনির্বাপণ ব্যবস্থায় রয়েছে একাধিক ঘাটতি। ‘বিপজ্জনক’ অংশগুলিতে কোনও ভাবেই ব্যবহার চালিয়ে যাওয়া যাবে না। এই নির্দেশ ঘিরেই নতুন করে আলোচনায় অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের ক্যামাক স্ট্রিটের অফিস।
দমকলের নোটিস অনুযায়ী, ওই বহুতলের বেসমেন্ট, ষষ্ঠ তলা এবং সপ্তম তলা ব্যবহার করা যাবে না। এই তিনটি অংশ অবিলম্বে খালি করার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। দমকলের তরফে দাবি, ভবনের অগ্নিনিরাপত্তা ব্যবস্থায় প্রয়োজনীয় ঘাটতি রয়েছে। ফলে কোনও অগ্নিকাণ্ডের মতো বিপর্যয় ঘটলে ঝুঁকি তৈরি হতে পারে।
ক্যামাক স্ট্রিটের এই অফিসকে ঘিরে রাজনৈতিক চাপানউতোর অবশ্য নতুন নয়। সাম্প্রতিক সময়েই অফিসের অগ্নিনিরাপত্তা ব্যবস্থা নিয়ে প্রশ্ন উঠেছিল। তার পরেই দমকলের তরফে পরিদর্শন এবং অগ্নিনিরাপত্তা সংক্রান্ত বিষয়গুলি খতিয়ে দেখা হয়। সেই পরিদর্শনের পরেই এল তিনটি তলা ব্যবহারে নিষেধাজ্ঞার নোটিস।
নোটিসে শুধু অগ্নিনির্বাপণ ব্যবস্থার ঘাটতির কথাই নয়, বহুতলের কয়েকটি অংশকে ‘বিপজ্জনক’ বলেও উল্লেখ করা হয়েছে। ফলে বিষয়টি নিছক অগ্নিনিরাপত্তার ত্রুটি, নাকি ভবনের সামগ্রিক নিরাপত্তা নিয়েও প্রশ্ন রয়েছে, তা নিয়েও শুরু হয়েছে জল্পনা।
দমকলের নির্দেশ কার্যকর হলে আপাতত বেসমেন্ট, ষষ্ঠ এবং সপ্তম তলায় কোনও ধরনের কাজকর্ম চালানো যাবে না। প্রশাসনের নজরে এখন ভবনটির নিরাপত্তা ব্যবস্থা এবং দমকলের দেওয়া নির্দেশ কতটা দ্রুত মানা হচ্ছে, সেটিই।
অর্থাৎ, রাজনৈতিক বিতর্কের কেন্দ্রবিন্দুতে থাকা ক্যামাক স্ট্রিটের অফিসে এ বার সরাসরি নিরাপত্তার প্রশ্ন। আগুনের ঝুঁকি নিয়ে দমকলের এই কড়া বার্তার পর পরবর্তী পদক্ষেপ কী, নজর সেদিকেই।





