গোসাইরহাট, ১৮ মে: ২০২৬ সালের বিধানসভা নির্বাচনে জয়ের পর প্রথম বড় সাংগঠনিক কর্মসূচি হিসেবে গোসাইরহাটে ‘বিজয় শুভেচ্ছা’ অনুষ্ঠানের আয়োজন করল বিজেপি মহিলা মোর্চা। সোমবার দুপুরে গোসাইরহাট রামকৃষ্ণ সংঘের হলঘরে অনুষ্ঠিত এই কর্মসূচিকে ঘিরে দলীয় কর্মী-সমর্থকদের মধ্যে ব্যাপক উৎসাহ ও উচ্ছ্বাস লক্ষ্য করা যায়।
অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন বিজেপির জেলা নেতৃত্ব অর্পিতা নারায়ণ, বিজেপি মহিলা মোর্চার নেত্রী বিউটি বর্মন-সহ একাধিক জেলা ও স্থানীয় নেতা-নেত্রীরা। এদিন মহিলা কর্মী ও সমর্থকদের শুভেচ্ছা জানানো হয় এবং আগামী দিনে সংগঠনকে আরও শক্তিশালী করার লক্ষ্যে ঐক্যবদ্ধভাবে কাজ করার আহ্বান জানানো হয়।
সভামঞ্চে বক্তব্য রাখতে গিয়ে অর্পিতা নারায়ণ বলেন, “২০২৬ সালের বিধানসভা নির্বাচনে মানুষের আশীর্বাদে বিজেপি বাংলার ক্ষমতায় এসেছে। গোসাইরহাট মহিলা মোর্চার এটি প্রথম বড় কর্মসূচি। এই অনুষ্ঠানের মাধ্যমে সকল কর্মী-সমর্থকদের শুভেচ্ছা জানানো হয়েছে এবং আগামী দিনে মানুষের পাশে থেকে কাজ করার অঙ্গীকার নেওয়া হয়েছে।”
তিনি আরও বলেন, নির্বাচনের সময় যেভাবে মহিলা কর্মীরা ঘরে ঘরে পৌঁছে সংগঠনের কাজ করেছেন, তা বিজেপির জয়ের অন্যতম প্রধান শক্তি। ভবিষ্যতেও সেই ধারাবাহিকতা বজায় রেখে সাধারণ মানুষের সমস্যা সমাধানে এগিয়ে আসার আহ্বান জানান তিনি।
অনুষ্ঠানে উপস্থিত মহিলা কর্মীদের মধ্যে ব্যাপক উৎসাহ দেখা যায়। অনেকেই দলীয় পতাকা ও ব্যানার হাতে নিয়ে স্লোগান দেন। সাংগঠনিক শক্তি বৃদ্ধির পাশাপাশি সমাজের বিভিন্ন স্তরের মানুষের সঙ্গে আরও নিবিড় যোগাযোগ গড়ে তোলার উপর জোর দেওয়া হয় সভা থেকে।
মহিলা মোর্চার নেত্রী বিউটি বর্মন বলেন, “মহিলাদের রাজনৈতিক ও সামাজিকভাবে আরও শক্তিশালী করতে বিজেপি মহিলা মোর্চা কাজ করে চলেছে। আগামী দিনে আরও বেশি সংখ্যক মহিলাকে সংগঠনের সঙ্গে যুক্ত করার লক্ষ্য নেওয়া হয়েছে।”
সংগঠনের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, ভবিষ্যতেও বিভিন্ন সামাজিক ও সাংগঠনিক কর্মসূচির মাধ্যমে মানুষের কাছে পৌঁছনোর চেষ্টা চালিয়ে যাবে বিজেপি মহিলা মোর্চা।
এই কর্মসূচিকে ঘিরে গোসাইরহাটে রাজনৈতিক মহলেও চর্চা শুরু হয়েছে। বিজেপির দাবি, নির্বাচনী জয়ের পর সংগঠনকে আরও মজবুত করতে এই ধরনের কর্মসূচি গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা নেবে।





