আবহাওয়া আইপিএল-2025 টাকা পয়সা পশ্চিমবঙ্গ ভারত ব্যবসা চাকরি রাশিফল স্বাস্থ্য প্রযুক্তি লাইফস্টাইল শেয়ার বাজার মিউচুয়াল ফান্ড আধ্যাত্মিক অন্যান্য

---Advertisement---

বিহার সীমান্তে এসআইআর ফর্ম নিয়ে দুশ্চিন্তা,হাজার হাজার বিহারী বধূর নাম বাদ পড়ার আশঙ্কা মালদায়

Published on: December 4, 2025
---Advertisement---

মালদা, ৪ ডিসেম্বর: এসআইআর ফর্ম জমা দেওয়া নিয়ে তীব্র উদ্বেগ ছড়িয়েছে মালদার হরিশ্চন্দ্রপুর মহকুমার বিস্তীর্ণ এলাকায়। বিবাহ সূত্রে বিহার থেকে মালদায় এসে বসবাসকারী হাজার হাজার বধূ এবার নিজেদের নাম ভোটার তালিকা থেকে বাদ পড়ে যাওয়ার আশঙ্কায় ভুগছেন। মূল সমস্যা ২০০৩ সালের বাবা-মায়ের ভোটার তালিকা জমা দিতে না পারা।

হরিশ্চন্দ্রপুর-১ ব্লকের কুশিদা ও বরুই এবং হরিশ্চন্দ্রপুর-২ ব্লকের সাদলীচক, ইসলামপুর, দৌলতনগর ও সুলতাননগর অঞ্চল বাংলা-বিহার সীমান্তবর্তী হওয়ায় এই এলাকায় বিহার থেকে বিয়ে করে আসা মহিলাদের সংখ্যা বিশাল। মোট ছ’টি অঞ্চলে রয়েছে ১৬৭টি বুথ। প্রতিটি বুথেই বহু বিহারী বধূ স্থায়ীভাবে বসবাস করছেন ও স্থানীয় ভোটার তালিকায় তাঁদের নাম রয়েছে বহুদিন ধরে।

সমস্যা দেখা দিয়েছে এসআইআর ফর্ম জমার সময়। নিয়ম অনুযায়ী, ২০০৩ সালের বাবা-মায়ের ভোটার তালিকা থেকে তথ্য জমা দিতে হবে। কিন্তু বহু বধূরই দাবি বিয়ের পর দীর্ঘদিন মালদায় বসবাস করায় বিহারে তাঁদের পৈতৃক বাড়ির পুরনো নথিপত্র এখন আর হাতে নেই।

বিষনপুর ৩৩ নম্বর বুথের বাসিন্দা সঞ্জরি খাতুন ও তাবাসুম খাতুন বলেন, “১৫ বছর ধরে এখানে আছি। স্বামীর বাড়িতে ঠিকানা অনুযায়ী ভোটার কার্ড আছে। কিন্তু বাবার বাড়ির ২০০৩ সালের ভোটার তালিকা দাখিল করতে পারছি না। তাই কেবল নিজের তথ্য দিয়ে ফর্ম জমা দিয়েছি। এখন ভয় হচ্ছে, নাম বাদ পড়ে যাবে না তো?”

একই আশঙ্কা অন্যান্য বুথের মহিলাদের মধ্যেও ছড়িয়ে পড়েছে। বিষনপুর বুথের বিএলও সোমনাথ মিত্র জানান, “শুধু আমার বুথেই ২০ জনের বেশি বিহারী বধূ রয়েছেন। তাঁদের কারও কাছেই ২০০৩ সালের বাবা-মায়ের ভোটার লিস্ট নেই। তাই তাঁরা বাধ্য হয়ে শুধু নিজেদের তথ্য দিয়ে ফর্ম জমা করেছেন।”

স্থানীয় প্রশাসনের তরফে এখনও পর্যন্ত কোনও বিশেষ নির্দেশ না এলেও, বিহারী বধূদের মধ্যে উদ্বেগ বাড়ছে। তাঁরা চাইছেন বিকল্প নথির ভিত্তিতে তাঁদের পরিচয় যাচাই করা হোক। না হলে ভোটার তালিকা সংশোধন পর্বে নাম বাদ পড়ার সম্ভাবনা থেকে যাচ্ছে, যা তাঁদের নাগরিক অধিকার কার্যত সংকটের মুখে ফেলতে পারে।

Manirul Hoque

Manirul Hoque is working as Sub Editor. Presently he is attached with Khaboriya24 Online News Portal. Manirul is involved in Copy Editing, Uploading in website.

Join WhatsApp

Join Now

Join Telegram

Join Now

Leave a Comment