কোচবিহার, ৫ ডিসেম্বর: আগামী ৯ ডিসেম্বর কোচবিহার রাসমেলা ময়দানে মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের জনসভাকে কেন্দ্র করে চরম উৎসাহ ও প্রস্তুতির মধ্যে সরগরম গোটা কোচবিহার। জেলা প্রশাসন থেকে শুরু করে তৃণমূল কংগ্রেস সব পক্ষই এখন শেষ মুহূর্তের কাজের ব্যস্ততায় মগ্ন।
ইতিমধ্যেই সভাস্থল পরিদর্শন করে গেছেন কোচবিহার জেলা পুলিশ সুপার সন্দীপ কাররা, অ্যাডিশনাল পুলিশ সুপার তন্ময় ব্যানার্জি সহ জেলা পুলিশের উচ্চপদস্থ আধিকারিকরা। তাঁদের সঙ্গে উপস্থিত ছিলেন জেলা তৃণমূল কংগ্রেস সভাপতি অভিজিৎ দে ভৌমিকও। সভাস্থল ঘিরে নিরাপত্তা, মাঠের সুষ্ঠু ব্যবস্থাপনা, প্রবেশ ও নির্গমন পথ, ভিড় নিয়ন্ত্রণ সব দিকই খুঁটিয়ে দেখেন পুলিশ সুপার সহ অন্যান্য আধিকারিকরা।
পুলিশ সূত্রের দাবি, মুখ্যমন্ত্রীর সভায় যাতে কোনও অপ্রীতিকর ঘটনা না ঘটে, তার জন্য তিন স্তরের নিরাপত্তা বলয় গড়ে তোলা হবে। মাঠের চারপাশে লাগানো হবে অতিরিক্ত নজরদারি ক্যামেরা, মোতায়েন থাকবেন বিশেষ পুলিশ বাহিনী।
অন্যদিকে, রাজনৈতিক উত্তাপের কেন্দ্রেও পরিণত হয়েছে এই সভা। তৃণমূল কংগ্রেস ইতিমধ্যেই কোচবিহার সহ জেলার বিভিন্ন ব্লকে প্রচার কর্মসূচি শুরু করেছে। প্রতিটি বুথ থেকে মানুষের ব্যাপক উপস্থিতি নিশ্চিত করতে চলছে ঘনঘন বৈঠক ও সংগঠনের চর্চা।
এদিন এবিষয়ে জেলা তৃণমূল সভাপতি অভিজিৎ দে ভৌমিক জানান, “এই সভা ঐতিহাসিক হতে চলেছে। মুখ্যমন্ত্রীকে দেখতে এবং তাঁর বক্তব্য শুনতে জেলার প্রতিটি কোণ থেকে মানুষ আসবেন। আমরা আশা করছি, অন্তত ১ লক্ষ ২০ হাজার মানুষের সমাগম হবে। বুথ স্তর থেকে কর্মী-সমর্থকরা ইতিমধ্যেই প্রস্তুতি শুরু করে দিয়েছেন।”
সামগ্রিকভাবে বলা যায়, ৯ ডিসেম্বরের মুখ্যমন্ত্রীর সভাকে ঘিরে কোচবিহার এখন উৎসবের প্রস্তুতিতে মগ্ন। তৃণমূলের দাবি, এদিনের জমায়েত প্রমাণ করবে কোচবিহারের মানুষের আস্থা এখনও মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের ওপর অটুট।





