খবরিয়া ২৪ ডেস্ক, ১ মার্চঃ গুরুত্বপূর্ণ পরিবেশ সংক্রান্ত বিষয়ে মন্ত্রীকে অবহিত করতে ডাকা বৈঠকে যোগ না দেওয়ায় এক আইএএস আধিকারিক এবং দূষণ নিয়ন্ত্রণ সংস্থার এক যুগ্ম পরিচালককে সাসপেন্ড করল মহারাষ্ট্র সরকার। ঘটনাকে ঘিরে রাজ্য রাজনীতিতে শুরু হয়েছে জোর বিতর্ক।
২৬ ফেব্রুয়ারি বিধানসভার অধিবেশন চলাকালীন রাজ্যের পরিবেশমন্ত্রী পঙ্কজা মুণ্ডে-কে চন্দ্রপুর জেলার দূষণ সংক্রান্ত আলোচনার জবাব দিতে বলা হয়। কিন্তু তিনি বিস্তারিত তথ্য দিতে অপারগতার কথা জানান। মন্ত্রীর অভিযোগ, সংশ্লিষ্ট আধিকারিকরা তাঁর ডাকা প্রস্তুতি বৈঠকে যোগ দেননি, ফলে প্রয়োজনীয় তথ্য সংগ্রহ করা সম্ভব হয়নি।
অভিযুক্তদের মধ্যে রয়েছেন ২০১১ ব্যাচের আইএএস এবং মহারাষ্ট্র দূষণ নিয়ন্ত্রণ পর্ষদ (এমপিসিবি)-র সদস্য সচিব এম দেবেন্দ্র সিং এবং সংস্থার যুগ্ম পরিচালক সতীশ পাড়ভাল। অভিযোগ, শুধু বৈঠকে অনুপস্থিত থাকাই নয়, বরং উপস্থিত থাকতে পারবেন না বলে আগাম বার্তাও পাঠান এক আধিকারিক। মন্ত্রীর দাবি, এই ধরনের আচরণ একজন মন্ত্রীর জনসাধারণের কাছে জবাবদিহি করার ক্ষমতাকে ব্যাহত করে।
বিষয়টি বিধানসভায় উত্থাপিত হলে প্রো-টেম স্পিকার দিলীপ ল্যান্ডে আধিকারিকের অনুপস্থিতিকে ‘চরম অবহেলা’ এবং ‘আইনসভার প্রতি অপমান’ বলে মন্তব্য করেন। তিনি সরকারকে ২৪ ঘণ্টার মধ্যে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়ার নির্দেশ দেন। তার পরই সংশ্লিষ্ট আধিকারিকদের সাসপেন্ড করা হয়।
তবে এই পদক্ষেপ ঘিরে নতুন বিতর্ক দানা বেঁধেছে। আইনসভার নির্দেশে কোনও সরকার সরাসরি এভাবে আমলাদের বিরুদ্ধে শাস্তিমূলক ব্যবস্থা নিতে পারে কি না, তা নিয়ে প্রশ্ন তুলছেন প্রশাসনিক বিশেষজ্ঞদের একাংশ। ফলে আইনসভা ও প্রশাসনের ক্ষমতার সীমারেখা নিয়েই শুরু হয়েছে নতুন আলোচনা।





