আবহাওয়া আইপিএল-2025 টাকা পয়সা পশ্চিমবঙ্গ ভারত ব্যবসা চাকরি রাশিফল স্বাস্থ্য প্রযুক্তি লাইফস্টাইল শেয়ার বাজার মিউচুয়াল ফান্ড আধ্যাত্মিক অন্যান্য

---Advertisement---

আবাস যোজনার নথি বাতিল ইস্যুতে কমিশনের বিরুদ্ধে তৃণমূলের তোপ, ‘সুপ্রিম কোর্ট অবমাননা’ অভিযোগ

Published on: February 16, 2026
---Advertisement---

খবরিয়া ২৪ ডেস্ক, ১৬ ফেব্রুয়ারিঃ ভোটার তালিকার বিশেষ নিবিড় সংশোধন ঘিরে নতুন বিতর্কে সরগরম রাজ্য রাজনীতি। কেন্দ্রীয় সরকারের প্রধানমন্ত্রী আবাস যোজনা বা রাজ্য সরকারের বাংলার বাড়ি প্রকল্পের নথি ভোটার তালিকায় নাম তোলার ক্ষেত্রে গ্রহণ করা হবে না ভারতের নির্বাচন কমিশন-এর এই সাম্প্রতিক নির্দেশিকার বিরোধিতায় সরব হল তৃণমূল কংগ্রেস। সোমবার সর্বভারতীয় তৃণমূল কংগ্রেস-এর তরফে সাংবাদিক বৈঠক করে সিদ্ধান্তের তীব্র সমালোচনা করা হয়।

সাংবাদিক সম্মেলনে উপস্থিত ছিলেন রাজ্যের মন্ত্রী চন্দ্রিমা ভট্টাচার্য এবং তৃণমূল নেতা কুণাল ঘোষ। তাঁদের অভিযোগ, নির্বাচন কমিশনের এই সিদ্ধান্ত শুধু অনৈতিকই নয়, বরং ভারতের সুপ্রিম কোর্ট-এর নির্দেশিকারও অবমাননা।

উল্লেখ্য, ২০২৫ সালের ২৭ অক্টোবর প্রকাশিত এক বিজ্ঞপ্তিতে কমিশন জানিয়েছিল, সরকার অনুমোদিত বাড়ি বা জমির শংসাপত্র ভোটার তালিকায় নাম অন্তর্ভুক্তির ক্ষেত্রে বৈধ নথি হিসেবে গণ্য হবে। কিন্তু ১৬ ফেব্রুয়ারি পশ্চিমবঙ্গের মুখ্য নির্বাচনী আধিকারিকের দপ্তরে পাঠানো এক চিঠিতে কমিশন জানায়, আবাস যোজনার নথি এই প্রক্রিয়ায় গ্রহণযোগ্য হবে না। এই অবস্থান বদল নিয়েই প্রশ্ন তুলেছে শাসকদল।

চন্দ্রিমা ভট্টাচার্য বলেন, “কমিশন সুপ্রিম কোর্টের নির্দেশকে কার্যত অমান্য করছে। ‘বাংলার বাড়ি’ প্রকল্পের সুবিধা পেতে নির্দিষ্ট আইনি নথি লাগে। সেই নথিকেই যদি অস্বীকার করা হয়, তাহলে সাধারণ মানুষের অধিকার কোথায় রইল? আমরা এই অন্যায়ের বিরুদ্ধে আইনি ও গণতান্ত্রিক লড়াই চালাব।”

অন্যদিকে কুণাল ঘোষ এই পদক্ষেপকে ‘বিপজ্জনক’ আখ্যা দিয়ে বলেন, “প্রক্রিয়া প্রায় শেষের পথে। এখন বিপুল সংখ্যক বৈধ ভোটারের নাম বাদ দেওয়ার একটি পরিকল্পিত চক্রান্ত চলছে। ১৪ তারিখ শুনানি শেষ, আর ১৬ তারিখেই বলা হচ্ছে এই নথি বৈধ নয় এটা চূড়ান্ত ঔদ্ধত্য।” তাঁর দাবি, আবাস প্রকল্পের আর্থিক সহায়তা তখনই মেলে যখন উপভোক্তার নামে বৈধ জমি বা বসতভিটার প্রমাণ থাকে। তা সত্ত্বেও কমিশনের এই অবস্থান প্রশ্ন তুলছে।

তৃণমূলের অভিযোগ, শুধুমাত্র পশ্চিমবঙ্গেই এই ধরনের কড়াকড়ি আরোপ করা হচ্ছে, যা রাজনৈতিক উদ্দেশ্যপ্রণোদিত। যদিও নির্বাচন কমিশনের তরফে এখনও পর্যন্ত এ বিষয়ে বিস্তারিত প্রতিক্রিয়া মেলেনি। ফলে বিতর্ক আরও জোরদার হওয়ারই ইঙ্গিত মিলছে।

Manirul Hoque

Manirul Hoque is working as Sub Editor. Presently he is attached with Khaboriya24 Online News Portal. Manirul is involved in Copy Editing, Uploading in website.

Join WhatsApp

Join Now

Join Telegram

Join Now

Leave a Comment