খবরিয়া ২৪ ডেস্ক, ৯ ফেব্রুয়ারিঃ পশ্চিমবঙ্গে ভোটার তালিকার বিশেষ নিবিড় সংশোধন (এসআইআর) নিয়ে জটিলতা আরও বাড়ছে। নির্দিষ্ট সময়ের মধ্যে শুনানি ও তথ্য যাচাইয়ের কাজ শেষ করতে না পারায় নির্বাচন কমিশন সেই প্রক্রিয়ার সময়সীমা বাড়িয়েছে। জানা গিয়েছে, আগামী ১৪ তারিখ পর্যন্ত এই কাজ চলবে। এরই মধ্যে সোমবার সুপ্রিম কোর্টে এসআইআর সংক্রান্ত মামলার গুরুত্বপূর্ণ শুনানি রয়েছে। গত বুধবারের মতো এদিনও মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় উপস্থিত থাকতে পারেন বলে খবর। তিনি সশরীরে না থাকলেও ভারচুয়ালি শুনানিতে অংশ নিতে পারেন।
শুনানির আগেই রাজ্য সরকার গুরুত্বপূর্ণ পদক্ষেপ করেছে। নির্বাচন কমিশনের অভিযোগের ভিত্তিতে নবান্ন চিঠি দিয়ে জানিয়েছে, এসআইআর-এর কাজের জন্য ৮,৫০৫ জন গ্রুপ-বি আধিকারিক দেওয়া হবে। এই সিদ্ধান্তে কমিশন নতুন করে চাপে পড়তে পারে বলে মনে করছেন রাজনৈতিক পর্যবেক্ষকরা।
গত বুধবার সুপ্রিম কোর্টে কমিশনের আইনজীবী অভিযোগ করেছিলেন, এসআইআর-এর কাজের জন্য রাজ্য সরকার পর্যাপ্ত গ্রুপ-বি আধিকারিক দেয়নি। সেই কারণে অন্য রাজ্য থেকে আধিকারিক আনতে হয়েছে। তখন প্রধান বিচারপতি সূর্য কান্ত, বিচারপতি জয়মাল্য বাগচী এবং বিচারপতি বিপুল এম পাঞ্চোলির বেঞ্চ রাজ্য সরকারকে নির্দেশ দেয়, কতজন আধিকারিক দেওয়া সম্ভব তা সোমবারের মধ্যে কমিশনকে জানাতে হবে। সেই নির্দেশ মেনেই শনিবার কমিশনকে রাজ্য তার সিদ্ধান্ত জানায়।
এদিকে, মুখ্যমন্ত্রীর দাবি অনুযায়ী ডোমিসাইল সার্টিফিকেট বা স্থায়ী বাসিন্দার শংসাপত্রকে প্রামাণ্য নথি হিসেবে গ্রহণ করতে বাধ্য হয়েছে কমিশন। সুপ্রিম কোর্টও পর্যবেক্ষণে জানিয়েছে, যুক্তিগত অসঙ্গতির কারণে যেন কোনও যোগ্য ভোটারের নাম বাদ না যায়। এই পরিস্থিতিতে এসআইআর প্রক্রিয়া নিয়ে পরবর্তী পদক্ষেপ কী হয় এবং সুপ্রিম কোর্ট কী নির্দেশ দেয়, সেদিকেই নজর রাজ্য ও দেশের রাজনৈতিক মহলের।





