খবরিয়া ২৪ ডেস্ক, ৪ ফেব্রুয়ারিঃ ভোটার তালিকার বিশেষ নিবিড় সংশোধন প্রক্রিয়া প্রায় শেষের পথে। সবকিছু ঠিকঠাক থাকলে আগামী ১৪ ফেব্রুয়ারি চূড়ান্ত ভোটার তালিকা প্রকাশ করতে পারে জাতীয় নির্বাচন কমিশন। কমিশন সূত্রে খবর, নির্ধারিত সময়সীমা অনুযায়ী একাধিক গুরুত্বপূর্ণ ধাপ ইতিমধ্যেই সম্পন্ন হয়েছে।
নিয়ম অনুযায়ী, ১ ফেব্রুয়ারির মধ্যে ভোটারদের কাছে চূড়ান্ত নোটিশ পৌঁছে দেওয়ার কথা ছিল। সেই সময়সীমা পেরিয়ে গিয়েছে। পাশাপাশি, যাঁদের শুনানি ইতিমধ্যেই সম্পন্ন হয়েছে, তাঁদের সংশ্লিষ্ট তথ্য ২ ফেব্রুয়ারির মধ্যে নির্বাচন কমিশনের পোর্টালে আপডেট করার শেষ তারিখও শেষ হয়েছে। ফলে নতুন করে কোনও ভোটারকে শুনানির জন্য ডাকা হবে না বলেই কমিশন সূত্রে জানানো হয়েছে।
ইনিউমারেশন পর্বে রাজ্যে প্রায় ৫৮ লক্ষ ভোটারের নাম তালিকা থেকে বাদ পড়েছে। নির্বাচন কমিশনের দাবি অনুযায়ী, এঁদের মধ্যে অনেকে মৃত, অনেকে স্থানান্তরিত অথবা ডুপ্লিকেট ভোটার হিসেবে চিহ্নিত। আবার উল্লেখযোগ্য সংখ্যক ভোটার নির্ধারিত সময়ের মধ্যে ইনিউমারেশন ফর্ম পূরণ করেননি বলেও জানা যাচ্ছে। যদিও অভিযোগ উঠেছে, কমিশনের খাতায় মৃত হিসেবে চিহ্নিত অনেক ভোটার বাস্তবে জীবিত রয়েছেন।
অন্যদিকে, খসড়া ভোটার তালিকায় নাম থাকা সত্ত্বেও যাঁদের কাছে শুনানির কোনও নোটিশ পৌঁছয়নি, তাঁদের নাম চূড়ান্ত তালিকায় বহাল থাকার সম্ভাবনা রয়েছে। তবে যাঁরা শুনানির সময় নির্বাচন কমিশন নির্ধারিত ১৩টি নথির মধ্যে একটিও জমা দিতে পারেননি, তাঁদের নাম বাদ যাওয়ার আশঙ্কা প্রবল বলেই খবর।
কমিশন সূত্রে জানা গিয়েছে, ৩১ জানুয়ারি পর্যন্ত নতুন করে শুনানির নোটিশ জারি করা হয়েছে এবং তা ১ ফেব্রুয়ারির মধ্যে সংশ্লিষ্ট ভোটারদের হাতে পৌঁছে দেওয়া হয়েছে। এই নোটিশপ্রাপ্ত ভোটারদের শুনানি ৭ ফেব্রুয়ারির মধ্যে সম্পন্ন করার কথা। এর বাইরে নতুন করে আর কোনও শুনানি হবে না বলেই কমিশনের অবস্থান।
তবে আজ এই সংক্রান্ত বিষয়ে শীর্ষ আদালত কোনও নতুন নির্দেশ দেয় কি না, সেদিকেই এখন রাজনৈতিক মহল ও সাধারণ মানুষের নজর। সুপ্রিম কোর্টের নির্দেশের উপর নির্ভর করেই চূড়ান্ত তালিকা প্রকাশের ভবিষ্যৎ দিকনির্দেশ স্পষ্ট হবে বলে মনে করা হচ্ছে।





