আবহাওয়া আইপিএল-2025 টাকা পয়সা পশ্চিমবঙ্গ ভারত ব্যবসা চাকরি রাশিফল স্বাস্থ্য প্রযুক্তি লাইফস্টাইল শেয়ার বাজার মিউচুয়াল ফান্ড আধ্যাত্মিক অন্যান্য

---Advertisement---

প্রায় ১০০ কোটি টাকার পিএফ উদ্ধার, ২৮ জনের বিরুদ্ধে এফআইআর; বেআইনি চা পাতা বিক্রিতেও কড়া নজরদারি

Published on: September 25, 2026
---Advertisement---

শিলিগুড়ি, ২৫ সেপ্টেম্বরঃ বন্ধ চা বাগান আর অনির্দিষ্টকাল বন্ধ রাখা যাবে না। শ্রমিকদের বকেয়া মেটান, বাগান খুলুন নইলে হাতছাড়া হবে বাগান। শুক্রবার শিলিগুড়ির দাগাপুরের শ্রমিক ভবনে চা শিল্প নিয়ে বৈঠকের পর এমনই কড়া বার্তা দিল শ্রম দফতর। বন্ধ বাগানগুলিকে স্বাভাবিক অবস্থায় ফেরাতে সংশ্লিষ্ট সংস্থাগুলিকে সাত দিনের সময়সীমা দেওয়া হয়েছে বলে জানালেন শ্রমমন্ত্রী অর্জুন সিং।

চা শ্রমিকদের বোনাস নিয়েও বৈঠকে আলোচনা হয়। মন্ত্রীর দাবি, ইতিমধ্যেই ২০ শতাংশ বোনাস ঘোষণা করা হয়েছে এবং ১৯টি চা বাগান সংস্থা শ্রমিকদের বোনাস মিটিয়ে দিয়েছে। বাকি সংস্থাগুলিও দ্রুত তা দেওয়ার কথা জানিয়েছে। ফলে পুজোর আগে বোনাস নিয়ে শ্রমিকদের সমস্যা থাকবে না বলেই দাবি শ্রম দফতরের।

কিন্তু আসল কড়াকড়ি বন্ধ বাগান নিয়ে। মন্ত্রীর বক্তব্য, যে সংস্থা পুরনো বকেয়া মিটিয়ে বাগান ফের চালু করতে চাইবে, তাকে সুযোগ দেওয়া হবে। কিন্তু বকেয়া না মিটিয়ে দীর্ঘদিন বাগান ফেলে রাখা হলে সেই সংস্থার হাত থেকে বাগান নিয়ে উপযুক্ত নতুন সংস্থার হাতে তুলে দেওয়ার ব্যবস্থা করা হবে।

শ্রমিকদের ভবিষ্যনিধির টাকা নিয়েও বৈঠক থেকে বড় অঙ্কের উদ্ধারের দাবি সামনে এসেছে। মন্ত্রীর দাবি, আগের বৈঠক থেকে এদিন পর্যন্ত প্রায় ১০০ কোটি টাকার পিএফের টাকা উদ্ধার হয়েছে। গত রাতেও এক ব্যক্তির কাছ থেকে ৮০ লক্ষ টাকা উদ্ধার করা হয়েছে বলে জানান তিনি। পাশাপাশি শ্রমিকদের পাওনা, পিএফ ও ইএসআই সংক্রান্ত অভিযোগের ভিত্তিতে ২৮ জনের বিরুদ্ধে এফআইআর করা হয়েছে বলেও দাবি মন্ত্রীর।

এরই মধ্যে বন্ধ বাগান থেকে বেআইনি ভাবে চা পাতা বিক্রির অভিযোগ নিয়েও নজরদারি বাড়ানো হচ্ছে। এ জন্য বিশেষ টাস্ক ফোর্স তৈরি হয়েছে। প্রশাসন ও পুলিশকে নির্দেশ দেওয়া হয়েছে, বন্ধ বাগান থেকে কোথায়, কী ভাবে চা পাতা বেরোচ্ছে, তার উপর নজর রাখতে।

সরকারের লক্ষ্য শুধু পুরনো মালিকদের দিয়ে বাগান খোলানো নয়। মন্ত্রীর বক্তব্য, নতুন কোনও সংস্থা বা উদ্যোক্তা আগ্রহ দেখালে এবং আগের বকেয়া মেটানোর প্রস্তাব দিলে নতুন চুক্তি ও প্রয়োজনে ঋণের ব্যবস্থাও করা হতে পারে। চা বোর্ড, শ্রম, শিল্প-বাণিজ্য এবং ভূমি চার দফতরকে সমন্বয় করে দ্রুত সমস্যার সমাধানের চেষ্টা চলছে।

দার্জিলিং, জলপাইগুড়ি ও ডুয়ার্স মিলিয়ে প্রায় ৩৫টি বাগান এই সমস্যার আওতায় বলে দাবি শ্রমমন্ত্রীর। এর মধ্যে ২১টি সরকারি ভাবে বন্ধ। বাকি বাগানগুলিতে বেআইনি ভাবে কাজ চলার অভিযোগ রয়েছে। ফলে সাত দিনের এই ‘ডেডলাইন’-এর পর চা বাগানগুলিতে সরকারের পরবর্তী পদক্ষেপ কী হয়, এখন নজর সেদিকেই।

Manirul Hoque

Manirul Hoque is working as Sub Editor. Presently he is attached with Khaboriya24 Online News Portal. Manirul is involved in Copy Editing, Uploading in website.

Join WhatsApp

Join Now

Join Telegram

Join Now

পড়তে ভুলবেন না

Leave a Comment