নয়াদিল্লী, ৯ অক্টোবরঃ রাস্তায় প্রতিবাদ, সংসদ চত্বরে বিক্ষোভ, রাজঘাটে উপস্থিতি টানা তিন দিনের কর্মসূচির পর এ বার রাষ্ট্রপতি দ্রৌপদী মুর্মুর দরবারে বিরোধী ইন্ডিয়া জোট। মুখ্য নির্বাচন কমিশনার জ্ঞানেশ কুমারের পদত্যাগের দাবিতে শুক্রবার রাতে রাষ্ট্রপতির সঙ্গে সাক্ষাৎ করার কথা বিরোধী সাংসদদের। সেই প্রতিনিধি দলে থাকবেন বাংলার মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ও। রাজনৈতিক মহলের নজর তাই একদিকে নির্বাচন কমিশনকে ঘিরে বিরোধীদের আন্দোলনে, অন্যদিকে জোটের এই গুরুত্বপূর্ণ বৈঠকে মমতার উপস্থিতিতে।
বিরোধী শিবিরের কর্মসূচি শুরু হয় মঙ্গলবার সংসদের মকর দ্বার থেকে নির্বাচন কমিশনের দপ্তর পর্যন্ত মিছিল দিয়ে। বুধবার যন্তরমন্তরে প্রতিবাদে সামিল হন সাংসদরা। বৃহস্পতিবার তাঁদের গন্তব্য ছিল রাজঘাট। এ বার রাষ্ট্রপতির কাছে নিজেদের অভিযোগ তুলে ধরতে চাইছেন তাঁরা। সূত্রের খবর, প্রতিনিধি দলে কংগ্রেস সভাপতি মল্লিকার্জুন খাড়গে, লোকসভার বিরোধী দলনেতা রাহুল গান্ধী, সিপিএমের এম এ বেবি এবং আরজেডি নেতা তেজস্বী যাদবের থাকার কথা। অন্যান্য বিরোধী দলের প্রতিনিধিরাও যোগ দিতে পারেন।
শুক্রবার রাত আটটায় সাক্ষাতের সময় নির্ধারিত হয়েছে বলে জানা গিয়েছে। তার আগে বিকেল পাঁচটায় সংসদের সেন্ট্রাল হলে একত্রিত হওয়ার কথা বিরোধী নেতাদের। তবে সাক্ষাতের সময় নিয়ে প্রশ্ন তুলেছেন তৃণমূলের কুণাল ঘোষ। তাঁর বক্তব্য, সারাদিন অপেক্ষার পর রাত আটটায় সময় দেওয়ার কারণ কী?
অন্যদিকে, শনিবার যন্তরমন্তরে ককরোচ জনতা পার্টির প্রতিবাদ কর্মসূচিকে ঘিরেও রাজধানীতে নিরাপত্তা জোরদার হয়েছে। সংবাদমাধ্যমের প্রতিবেদন অনুযায়ী, দিল্লিতে বিপুল সংখ্যক পুলিশ ও আধাসেনা মোতায়েন করা হয়েছে। রেল ও মেট্রো পরিষেবায় বিধিনিষেধ নিয়েও প্রশ্ন তুলেছেন বিরোধীরা। এই পরিস্থিতিতে কপিল সিবল সুপ্রিম কোর্টের দ্বারস্থ হয়েছেন বলেও খবর।
নির্বাচন কমিশনের ভূমিকা নিয়ে বিরোধীদের ক্ষোভ এখন রাষ্ট্রপতির কাছে পৌঁছতে চলেছে। এই সাক্ষাৎ থেকে কী বার্তা আসে, আর তার পর আন্দোলনের পরবর্তী পদক্ষেপ কী হয় সেদিকেই নজর রাজনৈতিক মহলের।





