শিলিগুড়ি, ৪ সেপ্টেম্বরঃ বুধবারের ঘটনার রেশ কাটেনি। তার মধ্যেই বৃহস্পতিবার সন্ধ্যায় ফের উত্তপ্ত উত্তরবঙ্গ মেডিকেল কলেজ চত্বর। এআইডিএসও-র দুই সদস্যকে মারধরের অভিযোগ উঠল এবিভিপি-র বিরুদ্ধে। ঘটনায় মাথা ফেটে গিয়েছে এআইডিএসও রাজ্য সম্পাদকমণ্ডলীর সদস্য চিকিৎসক অপূর্ব মণ্ডলের। আহত হয়েছেন এআইডিএসও-র এনবিএমসি ইউনিটের সহ-সভাপতি চিকিৎসক রামচন্দ্র শর্মাও। দু’জনকেই চিকিৎসার জন্য শিলিগুড়ি সদর হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয়েছে বলে সংগঠনের তরফে জানানো হয়েছে।
এআইডিএসও-র অভিযোগ, বৃহস্পতিবার সন্ধ্যা ৬টা নাগাদ মেডিক্যাল কলেজের বাইরে একটি দোকানে বসেছিলেন অপূর্ব ও রামচন্দ্র। আগের দিনের ঘটনায় আহত ছাত্রছাত্রীদের সঙ্গে দেখা করতেই তাঁরা সেখানে গিয়েছিলেন। অভিযোগ, সেই সময় প্রায় ৪০ জনের একটি দল সেখানে এসে নিজেদের এবিভিপি কর্মী বলে পরিচয় দেয়। প্রথমে হুমকি দেওয়ার পর তাঁদের উপর হামলা চালানো হয় বলে দাবি এআইডিএসও-র।
অপূর্বের দাবি, হামলায় তাঁর মাথায় গুরুতর আঘাত লাগে। এআইডিএসও-র আরও অভিযোগ, পুলিশের উপস্থিতিতেই তাঁদের মারধর করা হয়েছে। যদিও এই অভিযোগের বিষয়ে এবিভিপি-র তরফে এখনও কোনও প্রতিক্রিয়া পাওয়া যায়নি।
প্রথম বর্ষে ভর্তি ঘিরে বুধবারই উত্তরবঙ্গ মেডিকেল কলেজে এআইডিএসও এবং এবিভিপি-র মধ্যে সংঘর্ষের অভিযোগ উঠেছিল। সেই ঘটনার পর পরিস্থিতি কিছুটা শান্ত হবে বলে আশা করা হয়েছিল। কিন্তু ২৪ ঘণ্টা কাটতে না কাটতেই ফের সংঘর্ষের অভিযোগে নতুন করে উত্তেজনা ছড়িয়েছে মেডিক্যাল চত্বরে।
ঘটনার প্রতিবাদে শুক্রবার শিলিগুড়ির কোর্ট মোড় থেকে মিছিলের ডাক দিয়েছে এআইডিএসও। পরে সভাও হওয়ার কথা। সংগঠনের দাবি, শিক্ষাঙ্গনে হামলা ও হুমকির রাজনীতি বন্ধ করতে হবে।
প্রথম বর্ষের ভর্তি নিয়ে শুরু হওয়া বিরোধ এবার গড়িয়েছে পাল্টাপাল্টি হামলার অভিযোগে। উত্তরবঙ্গ মেডিকেলের পরিস্থিতি স্বাভাবিক রাখতে প্রশাসন কী পদক্ষেপ করে, এখন নজর সেদিকেই।





