মালদা, ৩ মেঃ ভোটগণনার ঠিক আগের মুহূর্তে মালদহে আবারও সক্রিয় কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থা এনআইএ। এসআইআর সংক্রান্ত কাজে নিযুক্ত বিচারপতিদের হেনস্তার ঘটনায় এবার তৃণমূল কংগ্রেসের একাধিক নেতাকে তলব করা হয়েছে বলে জানা গেছে। রবিবার দুপুরের মধ্যে কালিয়াচক থানায় হাজিরা দেওয়ার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে মালদহ জেলা পরিষদের কর্মাধ্যক্ষ আবদুর রহমান এবং কালিয়াচক ১ নম্বর ব্লকের তৃণমূল সভাপতি মহম্মদ সরিউলকে।
সূত্রের খবর, আবদুর রহমান সুজাপুরের তৃণমূল প্রার্থী সাবিনা ইয়াসমিনের নির্বাচনী এজেন্ট হিসেবেও যুক্ত রয়েছেন। ফলে ভোটের ফল ঘোষণার ঠিক আগেই এই তলব ঘিরে রাজনৈতিক মহলে জোর চর্চা শুরু হয়েছে। শাসকদলের দাবি, এর পিছনে রাজনৈতিক উদ্দেশ্য থাকতে পারে।
উল্লেখ্য, গত ১ এপ্রিল মালদহের মোথাবাড়িতে এসআইআরের কাজে কমিশনের গড়ে দেওয়া ট্রাইব্যুনালের বিচারপতিদের ঘিরে বিক্ষোভ দেখান স্থানীয় বাসিন্দারা। অভিযোগ, বিডিও অফিসে সাতজন বিচারপতিকে রাতভর আটকে রাখা হয়। পরিস্থিতি উত্তপ্ত হয়ে উঠলে বিষয়টি পৌঁছয় দেশের সর্বোচ্চ আদালতে। পরে সুপ্রিম কোর্টের নির্দেশে তদন্তভার যায় এনআইএ-র হাতে।
এই ঘটনায় ইতিমধ্যেই ৫২ জনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। ধৃতদের মধ্যে কেউ এনআইএ হেফাজতে রয়েছেন, আবার কেউ জেল হেফাজতে। সিআইডি এই মামলায় মোফাক্কেরুল ইসলাম নামে এক ব্যক্তিকে গ্রেপ্তার করে, যাকে ঘটনার মূল চক্রী বলে দাবি করা হয়েছে আদালতে।
এবার সেই ঘটনার সূত্র ধরে আরও তথ্য সংগ্রহের উদ্দেশ্যে তৃণমূল নেতাদের জিজ্ঞাসাবাদের জন্য ডাকা হয়েছে বলে জানা গেছে। তবে ভোটের ফল ঘোষণার আগের দিন এই পদক্ষেপে রাজনৈতিক চাপ সৃষ্টির চেষ্টা করা হচ্ছে কিনা, তা নিয়ে প্রশ্ন তুলেছে তৃণমূল শিবির। অন্যদিকে, তদন্তের স্বার্থেই এই তলব বলে জানিয়েছে তদন্তকারী মহল।





