মাথাভাঙা, ৫ অক্টোবরঃ দীর্ঘদিনের বেহাল রাস্তা। বর্ষা এলেই খানাখন্দে জমে জল, কোথাও আবার কাদায় পা ফেলা দায়। সেই রাস্তা দিয়েই এত দিন যাতায়াত করতে হয়েছে দক্ষিণ ভাঙামোড় এলাকার বাসিন্দাদের। অবশেষে তাঁদের অপেক্ষার অবসান। পুজোর মুখে মাথাভাঙা-১ ব্লকের হাজরাহাট-২ গ্রাম পঞ্চায়েত এলাকায় শুরু হল প্রায় ৩০০ মিটার কংক্রিটের ঢালাই রাস্তার কাজ।
স্থানীয় সূত্রে জানা গিয়েছে, দক্ষিণ ভাঙামোড় এলাকায় দীর্ঘদিন ধরেই রাস্তার অবস্থা বেহাল ছিল। বর্ষাকালে পরিস্থিতি আরও খারাপ হয়ে যেত। রাস্তাজুড়ে কাদা এবং জল জমে থাকায় স্কুলপড়ুয়া থেকে শুরু করে বয়স্ক মানুষ সকলকেই সমস্যায় পড়তে হত বলে অভিযোগ স্থানীয়দের। যানবাহন চলাচলেও তৈরি হত নানা সমস্যা।
বাসিন্দাদের দাবি, দীর্ঘদিন ধরেই ওই এলাকায় পাকা রাস্তার দাবি জানানো হয়েছিল। আগের সরকারের আমলেও একাধিক বার প্রশাসন ও জনপ্রতিনিধিদের কাছে রাস্তা তৈরির আবেদন জানানো হয়েছিল বলে তাঁদের বক্তব্য। কিন্তু সেই দাবি বাস্তবায়িত হয়নি। শেষ পর্যন্ত গ্রাম পঞ্চায়েতের উদ্যোগে রাস্তার কাজ শুরু হওয়ায় স্বস্তি ফিরেছে এলাকায়।
গ্রাম পঞ্চায়েত সূত্রে জানা গিয়েছে, ফিফটিন ফিন্যান্সের অর্থে প্রায় ৫ লক্ষ টাকা ব্যয়ে এই রাস্তার কাজ করা হচ্ছে। মোট প্রায় ৩০০ মিটার রাস্তা কংক্রিটের ঢালাই করা হবে। পুজোর আগেই কাজ শেষ করার লক্ষ্য রয়েছে বলে পঞ্চায়েত সূত্রে খবর।
এদিন আনুষ্ঠানিক ভাবে রাস্তার কাজের সূচনা করেন গ্রাম পঞ্চায়েতের প্রধান নিপর্না বর্মণ। কাজ শুরু হতেই এলাকায় খুশির আবহ তৈরি হয়। স্থানীয় বাসিন্দাদের একাংশের বক্তব্য, দীর্ঘদিনের দাবি অবশেষে বাস্তবায়িত হতে চলায় তাঁদের দৈনন্দিন যাতায়াত অনেকটাই সহজ হবে।
রাস্তার কাজ সম্পূর্ণ হলে বর্ষাকালে দুর্ভোগ কমার পাশাপাশি স্কুল, বাজার, স্বাস্থ্যকেন্দ্র-সহ প্রয়োজনীয় পরিষেবায় যাতায়াতেও সুবিধা হবে বলে আশা স্থানীয়দের। তাঁদের কথায়, পুজোর আগে নতুন রাস্তা শুধু যোগাযোগের পথই তৈরি করবে না, দীর্ঘদিনের ভোগান্তি থেকেও কিছুটা স্বস্তি দেবে।
এখন নজর কাজের গতি ও গুণমানের দিকে। নির্ধারিত সময়ের মধ্যে রাস্তার কাজ শেষ হলে দক্ষিণ ভাঙামোড়ের দীর্ঘদিনের যাতায়াত সমস্যা অনেকটাই মিটবে বলেই আশা বাসিন্দাদের।





