দিনহাটা, ৭ নভেম্বরঃ ছটপুজোকে ঘিরে প্রস্তুতি শুরু দিনহাটায়। পুণ্যার্থীদের স্নান ও সূর্যদেবের উদ্দেশে অর্ঘ্য নিবেদনের সুবিধায় থানা পুকুরের পরিকাঠামো খতিয়ে দেখলেন দিনহাটার বিধায়ক অজয় রায়। সঙ্গে ছিলেন তাঁর স্ত্রী বিথীকা রায়। পুকুরের জল পরিষ্কার রাখা, পুণ্যার্থীদের বসার উপযুক্ত জায়গা তৈরি এবং পর্যাপ্ত আলোর ব্যবস্থা একাধিক বিষয় নিয়ে সংশ্লিষ্টদের প্রয়োজনীয় পরামর্শ দেন বিধায়ক।
ছটপুজোয় থানা পুকুরে প্রতি বছরই বহু মানুষের সমাগম হয়। পুজোর দিনগুলিতে পুণ্যার্থীদের ভিড় সামলানোর পাশাপাশি নিরাপত্তা ও পরিচ্ছন্নতা বজায় রাখাও বড় চ্যালেঞ্জ। সেই কথা মাথায় রেখেই এ দিন পুকুরের চারপাশের পরিস্থিতি সরেজমিনে পরিদর্শন করেন অজয় রায়। পুকুরের জল যাতে স্বচ্ছ ও জীবাণুমুক্ত থাকে, তার জন্য চুন প্রয়োগ-সহ প্রয়োজনীয় একাধিক পদ্ধতি অবলম্বনের পরামর্শ দেন তিনি।
পাশাপাশি পুণ্যার্থীদের সুবিধার কথা মাথায় রেখে পুকুরের চারদিকে চওড়া ও সুন্দর অস্থায়ী কাঠামো তৈরির বিষয়েও গুরুত্ব দেন বিধায়ক। যাতে পুজো দিতে আসা মানুষজন সহজে বসতে পারেন এবং ভিড়ের মধ্যেও অসুবিধায় পড়তে না হয়, সে দিকে নজর দেওয়ার কথা জানান তিনি। পুকুর চত্বরের পর্যাপ্ত আলোর ব্যবস্থাও গুরুত্ব সহকারে দেখা হবে বলে আশ্বাস দেন।
এ দিন পরিদর্শনের সময় পরিচ্ছন্নতার কাজেও উদ্যোগী হতে দেখা যায়। দশমীর পর পুকুর পরিষ্কার করা হলেও ফের নেটিংয়ের মাধ্যমে পুকুরের জল থেকে অবশিষ্ট নোংরা ও আবর্জনা সরানোর কাজ করা হয়। বিধায়কের উপস্থিতিতেই সেই পরিষ্কারের কাজ চলে।
ছটপুজোয় ধর্মীয় আচার পালনের পাশাপাশি পুণ্যার্থীদের নিরাপত্তা ও স্বাচ্ছন্দ্য নিশ্চিত করাই এখন মূল লক্ষ্য। উৎসবের আগে থানা পুকুরকে পরিচ্ছন্ন ও উপযুক্ত করে তোলার এই উদ্যোগ কতটা বাস্তবায়িত হয়, সেদিকেই নজর দিনহাটার বাসিন্দাদের।





