শিলিগুড়ি, ১৫ সেপ্টেম্বরঃ নতুন শ্রেণিকক্ষের দ্বারোদ্ঘাটনে এসে খুদে পড়ুয়াদের সঙ্গে বেশ কিছুটা সময় কাটালেন রাজ্যের পর্যটন মন্ত্রী ডঃ শংকর ঘোষ। পড়ুয়াদের সঙ্গে কথা বলার পাশাপাশি তাঁদের পড়াশোনা, স্কুলের পরিবেশ এবং ভবিষ্যৎ নিয়েও আলোচনা করেন তিনি। মন্ত্রীর কথায়, “এই শিশুরাই আগামী দিনের ভবিষ্যৎ।” ছোটদের মস্তিষ্কের বিকাশে স্কুলের প্রধান শিক্ষক কাঞ্চন দাস যে ভূমিকা পালন করছেন, তারও প্রশংসা করেন তিনি।
শিলিগুড়ি বয়েজ প্রাইমারি স্কুলে স্মার্ট ক্লাসরুমের উদ্বোধন উপলক্ষে আয়োজিত অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন পর্যটন মন্ত্রী ডঃ শংকর ঘোষ, শিলিগুড়ি-জলপাইগুড়ি উন্নয়ন পর্ষদের এএইও সঞ্জয় মালাকার-সহ অন্যান্য অতিথিরা। অনুষ্ঠানে বক্তাদের কথায় উঠে আসে সরকারি স্কুলের পরিকাঠামো ও শিক্ষার মানোন্নয়নের প্রসঙ্গ।
স্কুলে মন্ত্রী প্রবেশ করতেই তাঁকে ফুল ছিটিয়ে এবং শঙ্খধ্বনির মাধ্যমে স্বাগত জানান অভিভাবিকারা। পরে স্কুলের শিক্ষক-শিক্ষিকা, অভিভাবক এবং পড়ুয়াদের সঙ্গে কথা বলেন শংকর ঘোষ। খুদে পড়ুয়াদের সঙ্গে তাঁর কথোপকথনের মুহূর্ত ঘিরে স্কুলে তৈরি হয় অন্যরকম আবহ।
অনুষ্ঠানে বক্তব্য রাখতে গিয়ে নেতাজি বয়েজ প্রাইমারি স্কুলকে সরকারি স্কুলের ‘উজ্জ্বল ভবিষ্যতের দৃষ্টান্ত’ বলে উল্লেখ করেন মন্ত্রী। প্রধান শিক্ষক কাঞ্চন দাসেরও প্রশংসা করেন তিনি। তাঁর বক্তব্য, শিশুদের মস্তিষ্কের বিকাশের ক্ষেত্রে ১২ বছর বয়স পর্যন্ত সময় অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। তাই স্কুলে যে ভাবে পড়াশোনা করানো হচ্ছে, তার অনুশীলন বাড়িতেও হওয়া প্রয়োজন।
অভিভাবকদের উদ্দেশে মন্ত্রী বলেন, শুধু স্কুলের উপর নির্ভর না করে বাড়িতেও শিশুদের পড়াশোনার পরিবেশ তৈরি করতে হবে। স্কুল ও পরিবারের যৌথ উদ্যোগেই ছোটদের ভিত মজবুত করা সম্ভব বলে জানান তিনি।
স্মার্ট ক্লাসরুম চালুর ফলে পড়াশোনায় প্রযুক্তির ব্যবহার আরও বাড়বে বলে মনে করছেন স্কুল কর্তৃপক্ষ। সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে আধুনিক পরিকাঠামো এবং প্রযুক্তিনির্ভর শিক্ষার এই উদ্যোগকে ঘিরে পড়ুয়া ও অভিভাবকদের মধ্যেও উৎসাহ দেখা গিয়েছে।





