শীতলকুচি, ১৬ মেঃ শীতলকুচির রানীর দিঘি এলাকায় শুক্রবার রাতের ঝড়ে মুহূর্তের মধ্যে ধ্বংস হয়ে যায় কৃষক হৃদয় বর্মনের বসতঘর। রাত প্রায় দশটার দিকে প্রচণ্ড ঝড়-বৃষ্টির মধ্যে একের পর এক গাছ ভেঙে পড়ে বাড়ির উপর। এতে সম্পূর্ণ ভেঙে যায় ঘরের কাঠামো, ঘরের ভিতরে আটকে পড়েন পরিবারের সদস্যরা। মুহূর্তের মধ্যে প্রাণহানির আশঙ্কা দেখা দিলে প্রতিবেশী ও স্থানীয়রা দৌড়ে এসে সকলকে উদ্ধার করেন।
যদিও幸ে কোনো প্রাণহানি ঘটেনি, পরিবারের সব জিনিসপত্র প্রায় নষ্ট হয়ে গেছে। ধ্বংসস্তূপের মধ্যে তামাক, চাল-ডাল, জামাকাপড়, আসবাবপত্র এবং কৃষিকাজের অন্যান্য সামগ্রী ছাই হয়ে যায়। ঘরে থাকা ছয়জনের পরিবার বর্তমানে কোনো নিরাপদ আশ্রয় ছাড়া চরম দুরবস্থায় দিন কাটাচ্ছে।
পরিস্থিতি সম্পর্কে হৃদয় বর্মন চোখে জল নিয়ে বলেন, “এখন কোথায় থাকব, কীভাবে সংসার চালাব তা বোঝা যাচ্ছে না।” তিনি ইতিমধ্যেই স্থানীয় বিডিও ও বিধায়ক সাবিত্রী বর্মনের কাছে সাহায্যের আবেদন জানিয়েছেন। প্রশাসনের তরফ থেকে সহায়তা না আসা পর্যন্ত পরিবারটি অস্থায়ী আশ্রয়ে নিরাপত্তা খুঁজছে। স্থানীয় সমাজকর্মীরা এবং প্রতিবেশীরা তাদের পাশে দাঁড়িয়েছেন, তবে মৌলিক চাহিদা পূরণের জন্য সরকারি হস্তক্ষেপ এখন সবচেয়ে জরুরি।





