কাওয়াখালি, ৯ অক্টোবর: দীর্ঘদিনের অব্যবস্থা কাটিয়ে শিল্পীদের কাজে লাগবে বিশ্ববাংলা শিল্পী হাট? সেই প্রশ্ন ঘিরেই নতুন করে আলোচনায় কাওয়াখালির এই হাট। তৃণমূল আমলে তৈরি এই শিল্পী হাটের বর্তমান পরিস্থিতি খতিয়ে দেখতে পরিদর্শনে গেলেন ক্ষুদ্র, ছোট ও মাঝারি শিল্প এবং বস্ত্রশিল্প বিভাগের মন্ত্রী দীপক বর্মন। তাঁর সঙ্গে ছিলেন দফতরের আধিকারিকেরা। পরিদর্শনের পর হাটের নাম পরিবর্তনেরও ইঙ্গিত দিয়েছেন মন্ত্রী।
হাটের বর্তমান অবস্থা ঘুরে দেখার পাশাপাশি কী ভাবে সেটিকে নতুন করে সাজিয়ে তোলা যায়, তা নিয়েও আধিকারিকদের সঙ্গে আলোচনা করেন তিনি। মন্ত্রীর বক্তব্য, শিল্পীদের স্বার্থেই এই হাটকে ফের সক্রিয় করে তোলা দরকার। তাঁদের যাতে নিজেদের তৈরি সামগ্রী প্রদর্শন ও বিক্রির সুযোগ হয়, সেই ব্যবস্থা গড়ে তোলাই এখন মূল লক্ষ্য।
বিশ্ববাংলা নামটি নিয়েও প্রশ্ন তুলেছেন দীপক। তাঁর কথায়, “এই হাট আবার নতুন করা হবে। শিল্পীরা যাতে এটা ব্যবহার করতে পারে, তার ব্যবস্থা করা হবে। আর বিশ্ববাংলার কোনও অস্তিত্ব নেই। তাই ওই নামেরও নেই। তবে নাম পরিবর্তনের থেকে গুরুত্বপূর্ণ এই হাট চালু করা।”
মন্ত্রীর বক্তব্যে স্পষ্ট, নাম বদলের সম্ভাবনা থাকলেও আপাতত অগ্রাধিকারের তালিকায় রয়েছে হাটের পুনরুজ্জীবন। শিল্পীদের জন্য পরিকাঠামো তৈরি, হাটকে ব্যবহারযোগ্য করে তোলা এবং তাঁদের আর্থিক কর্মকাণ্ডে সহায়তা করাই মূল লক্ষ্য বলে ইঙ্গিত মিলেছে।
এখন প্রশ্ন, কবে থেকে নতুন করে চালু হবে কাওয়াখালির এই শিল্পী হাট? কী ভাবে উপকৃত হবেন স্থানীয় শিল্পীরা? মন্ত্রীর পরিদর্শনের পরে সেই দিকেই নজর শিল্পী মহলের।





