খবরিয়া ২৪ ডেস্ক, ২৫ ফেব্রুয়ারিঃ বিধানসভা নির্বাচনের আগে ভোটমুখী বাংলায় এসআইআর ঘিরে রাজনৈতিক মহলে জোর চর্চা শুরু হয়েছে। আগামী ২৮ ফেব্রুয়ারি চূড়ান্ত ভোটার তালিকা প্রকাশের কথা। তার আগে কতজনের নাম বাদ যেতে পারে, তা নিয়ে জল্পনা তুঙ্গে। বুধবার ভবানীপুরে জৈন মানস্তম্ভ-সহ একাধিক প্রকল্পের শিলান্যাস ও উদ্বোধন শেষে মুখ্যমন্ত্রী মমতা ব্যানার্জি আশঙ্কা প্রকাশ করে বলেন, অন্তত ১ কোটি ২০ লক্ষ নাম বাদ যেতে পারে।
মুখ্যমন্ত্রীর অভিযোগ, প্রথমে ৫৮ লক্ষ নাম বাদ গিয়েছে। এরপর ‘লজিক্যাল ডিসক্রিপেনসি’-র অজুহাতে গোপনে আরও নাম বাদ দেওয়া হচ্ছে। মৃত ভোটারের সংখ্যা প্রায় ২০ লক্ষ ধরলে মোট বাদ পড়া নামের সংখ্যা ১ কোটি ২০ লক্ষে পৌঁছতে পারে বলেও দাবি তাঁর। তিনি বলেন, “আমি চাই কোনও বৈধ ভোটারের নাম যেন বাদ না যায়। গণতন্ত্র ধ্বংস যেন না হয়।”
তিনি জানান, বিষয়টি নিয়ে তিনি স্বয়ং ভারতের সুপ্রিম কোর্ট-এ গিয়েছেন এবং তাঁর পিটিশন এখনও স্থগিত রয়েছে। আদালতের নির্দেশের পরও কাজের গতি নিয়ে প্রশ্ন তোলেন তিনি। তাঁর কথায়, ২৮ ফেব্রুয়ারি তালিকা প্রকাশের দিন যাঁদের নাম থাকবে না, তাঁদের মানসিক অবস্থার কথা ভেবেই উদ্বিগ্ন তিনি।
মুখ্যমন্ত্রী আরও বলেন, কে কোন রাজনৈতিক দলের সমর্থক বা কোন ধর্মাবলম্বী তা বিবেচ্য নয়; প্রত্যেক বৈধ নাগরিকের ভোটাধিকার সুরক্ষিত থাকা উচিত। ভবানীপুরে জৈন মানস্তম্ভের সামনে দাঁড়িয়ে তিনি আবেদন জানান, “কারও অধিকার ছিনিয়ে নেবেন না। সকলকে তাঁর অধিকার ফিরিয়ে দিন।”
এদিকে এসআইআরের নথি যাচাইয়ের কাজ করছেন জুডিশিয়াল অফিসাররা। তবে নির্ধারিত সময়ের মধ্যে সম্পূর্ণ যাচাই শেষ হবে কি না, তা নিয়ে সংশয় রয়েছে। যদিও শীর্ষ আদালতের নির্দেশ অনুযায়ী ২৮ ফেব্রুয়ারিতেই চূড়ান্ত তালিকা প্রকাশ বাধ্যতামূলক; প্রয়োজনে পরে সম্পূরক তালিকা প্রকাশ করা যেতে পারে।





